বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ উল্লেখ করে ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে আওয়ামী লীগ। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১২ ডিসেম্বর- বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ উল্লেখ করে ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে আওয়ামী লীগ।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য তফসিল ঘোষণা করেন।
সেই তফসিল প্রত্যাখ্যান করে দেওয়া আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে,’অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের অবৈধ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল আওয়ামী লীগ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, বর্তমান দখলদার বাহিনী শতভাগ পক্ষপাতদুষ্ট এবং তাদের অধীনে সুষ্ঠু-স্বাভাবিক পরিবেশে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে জনগণের মতামতের প্রতিফলন অসম্ভব।’
“নির্বাচনই জনপ্রিয়তা পরিমাপের মাপকাঠি। আওয়ামী লীগ নির্বাচনমুখী দল। আওয়ামী লীগ জনগণের সামনে দাঁড়ানোর মতো শক্তি, সাহস ও সামর্থ্য রাখে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে ১৩টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং তন্মধ্যে ৯টিতে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল অর্থাৎ জনগোষ্ঠীর অধিক অংশ নির্বাচনের বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন সমগ্র দেশ ও জাতিকে একটা গভীর সংকটের দিকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘চলমান সংকটকে ঘনীভূত হতে না দেওয়া এবং তা এড়িয়ে যেতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি এবং বর্তমান বর্ণচোরা দখলদার সরকার বাদ দিয়ে নির্বাচনকালীন একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।’
“সুতরাং দেশের জনগণের বৃহত্তম অংশের প্রতিনিধিত্বকারীদের বাইরে রেখে ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রত্যাখ্যান করছে।”