সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে ফেল, এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষার সুযোগ
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু ওই বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ বছর এক ও…
মেলবোর্ন ৩১ ডিসেম্বর- ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু দাসকে নির্মমভাবে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত নিবির ইসলাম অনিককে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, দিপু দাসকে আগুনে পোড়ানোর আগে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার কাজে সরাসরি জড়িত ছিলেন এই অনিক।
মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগআলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনিক ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা (মধ্য ভাটিবাড়ি) গ্রামের মো. কালিমুল্লাহর ছেলে। তিনি ভালুকার একটি পোশাক কারখানায় নিটিং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ১৮ ডিসেম্বর দিপু দাসকে হত্যার পর তার মরদেহ রশি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এর পরদিন নিহত দিপু দাসের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস ভালুকা থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়, সাদা শার্ট পরিহিত এক যুবক দিপুর নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে গাছের ওপর তুলছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ওই যুবককে শনাক্ত করে পুলিশ, যিনি পরে নিবির ইসলাম অনিক হিসেবে চিহ্নিত হন।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অনিক পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ ঢাকার বনানী ও গাজীপুরের চেরাগআলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে আটক করে তদন্তকারী দল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, ঘটনার পর থেকে অনিক যে কারখানায় কাজ করতেন সেখানে আর হাজির হননি। এই মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au