ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ৫ জানুয়ারি- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, সব পক্ষের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় আপিল গ্রহণের জন্য স্থাপিত বুথগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের নেতিবাচক চিত্র চোখে পড়েনি।
এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের প্রক্রিয়া আজ থেকেই শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে পর্যায়ক্রমে এসব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল বা বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল আবেদনের ক্ষেত্রে এক সেট মূল কাগজপত্রের সঙ্গে ছয় সেট ছায়ালিপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।
আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশনে সারা দেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-১ (আসন ১ থেকে ৩৩), রাজশাহী অঞ্চলের জন্য বুথ-২ (আসন ৩৪ থেকে ৭২), খুলনা অঞ্চলের জন্য বুথ-৩ (আসন ৭৩ থেকে ১০৮), বরিশাল অঞ্চলের জন্য বুথ-৪ (আসন ১০৯ থেকে ১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চলের জন্য বুথ-৫ (আসন ১৩০ থেকে ১৬৭), ঢাকা অঞ্চলের জন্য বুথ-৬ (আসন ১৬৮ থেকে ২০৮), ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-৭ (আসন ২০৯ থেকে ২২৩), সিলেট অঞ্চলের জন্য বুথ-৮ (আসন ২২৪ থেকে ২৪২), কুমিল্লা অঞ্চলের জন্য বুথ-৯ (আসন ২৪৩ থেকে ২৭৭) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বুথ-১০ (আসন ২৭৮ থেকে ৩০০) নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী আপিলের শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এই শুনানি ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। তবে আপিলের সংখ্যা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।
শুনানির সময় আপিলকারী ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা তাঁর প্রতিনিধিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে। শুনানি শেষে আপিলের রায় তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ই-মেইলে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০ থেকে ১২ জানুয়ারির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au