আনিস আলমগীর , ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১৬ জানুয়ারি- জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাংবাদিক ও খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। তিনি জানান, আনিসুর রহমান আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করেছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, আনিসুর রহমান আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এর ফলে তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তার বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় হয়েছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই হিসাব অনুযায়ী, আনিসুর রহমান আলমগীরের ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে। এটি মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং দুদক এই সম্পদকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
উল্লেখ্য, আনিসুর রহমান আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বৈশাখী টিভির সাংবাদিক এবং আরটিভির চিফ নিউজ এডিটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।