চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৬ জানুয়ারি- দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে সমাধান হলো ক্রিকেটারদের আন্দোলন ও বোর্ডের সঙ্গে সৃষ্ট সংকটের। বিসিবি, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এতে অভিমান ভেঙেছে ক্রিকেটারদের এবং সব শঙ্কা কাটিয়ে তারা আবার মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি থেকেই নিয়মতান্ত্রিক সব কার্যক্রমে অংশ নেবেন ক্রিকেটাররা।
এর ফলে স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা কাটিয়ে আবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল। বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি রাতে বিসিবি, ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কোয়াবের ত্রিমুখী বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বৈঠক শেষে গুলশানের নাভানা টাওয়ারে বিসিবি কার্যালয়ে কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি ঘোষণা করেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান।
রাত ৮টার দিকে বিসিবির পরিচালকরা ক্রিকেটার ও কোয়াব নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিপিএল পুনরায় মাঠে ফেরানোর সিদ্ধান্ত আসে। বিসিবি জানায়, বৃহস্পতিবার স্থগিত হওয়া দুটি ম্যাচ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবারের নির্ধারিত ম্যাচগুলো হবে শনিবার এবং শনিবারের ম্যাচগুলো পুনর্নির্ধারণ করে ১৮ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে।
বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু, কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন এবং বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ইফতেখার রহমান বলেন, ১৮ জানুয়ারি তাদের বিশ্রামের দিন ছিল এবং সেই তারিখ পর্যন্ত ম্যাচগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের ম্যাচ শুক্রবার, শুক্রবারের ম্যাচ শনিবার এবং শনিবারের ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারায় তিনি সন্তুষ্ট।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের দুটি ম্যাচ মাঠে গড়ানোর কথা ছিল। তবে তার আগের রাতে হঠাৎ করে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেন ক্রিকেটাররা। বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে তার পদত্যাগ দাবি করে কঠোর অবস্থান নেয় কোয়াব। ক্রিকেটারদের এই সিদ্ধান্তে নড়েচড়ে বসে ক্রিকেট বোর্ড।
পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যরাতেই ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিসিবি। তবে তখন কোনো সমাধান হয়নি। পরদিন দিনভর আলোচনা চললেও সমাধানের পথ বের হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ক্রিকেটাররা মাঠে নামেননি। উল্টো সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানান।
এই অবস্থায় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হলেও পরে ক্রিকেটাররা কিছুটা নমনীয় হন। একই সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরাও খেলা পুনরায় মাঠে ফেরানোর দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তিন পক্ষের আলোচনায় সংকট কাটে এবং বিপিএল পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত আসে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au