‘সমাজ সংস্কার’-এর নামে গ্রামে নোটিশ জারি গানবাজনা বন্ধের ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি গ্রামে ‘সমাজ সংস্কার’-এর কথা বলে গানবাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছিল স্থানীয় একটি জামে…
মেলবোর্ন, ১৮ জানুয়ারি- ময়মনসিংহ-১ আসনে নির্বাচনি উত্তেজনার মধ্যে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মী নিহতের ঘটনায় বিএনপির ৬৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার ১৭ জানুয়ারি দুপুরে নিহত নজরুল ইসলামের ছেলে সোলায়মান বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিএনপির ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ধোবাউড়া উপজেলার উত্তর গামারীতলা গ্রামের প্রয়াত হাতেম আলীর ছেলে মো. আদম আলী (৫৪), চন্দ্রকোনা গ্রামের প্রয়াত আছম আলীর ছেলে মো. দুলাল মিয়া এবং ইব্রাহিম (৫৫)। পুলিশ জানায়, আদম আলী ঘোষগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। অন্য দুইজন বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন নজরুল ইসলাম (৪৫)। তাকে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নজরুল ইসলাম ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সক্রিয় সমর্থক ছিলেন।
হালুয়াঘাটা ও ধোবাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। নির্বাচনি প্রচার ঘিরে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন নিহতের স্বজন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা।
ধোবাউড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au