ইরানের দেশব্যাপী বিক্ষোভে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি এক সরকারি কর্মকর্তার। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১৯ জানুয়ারি: ইরানে চলমান দেশব্যাপী বিক্ষোভে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এক আঞ্চলিক ইরানি কর্মকর্তা। রোববার (১৮ তারিখ) রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং এই হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি “সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের” দায়ী করেন, যারা “নিরীহ ইরানিদের” হত্যা করেছে।
সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ ও সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটেছে উত্তর–পশ্চিম ইরানের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায়। এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরেই কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং অতীতের অস্থিরতার সময়ও এখানেই সবচেয়ে সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার পর কর্তৃপক্ষ “ধীরে ধীরে” সংযোগ পুনরুদ্ধারের কথা ভাবছে।
রোববার সকালে এএফপি তাদের তেহরান কার্যালয় থেকে সীমিতভাবে ইন্টারনেটে যুক্ত হতে সক্ষম হয়, যদিও অধিকাংশ ইন্টারনেট সেবাদাতা ও মোবাইল ইন্টারনেট এখনো বন্ধ রয়েছে। কেন সীমিত এই সংযোগ সম্ভব হলো, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার নয়।
গত মঙ্গলবার (১৩ তারিখ) থেকে আন্তর্জাতিক বহির্গামী কল চালু ছিল এবং শনিবার (১৭ তারিখ) সকালে টেক্সট মেসেজ সেবাও পুনরায় চালু করা হয়।
শনিবার রাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়,
“সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে ইন্টারনেট সংযোগ ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করা হবে”, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
একটি “অবহিত সূত্রের” বরাত দিয়ে সংস্থাটি আরও জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ইন্ট্রানেটে স্থানীয় মেসেজিং অ্যাপগুলো শিগগিরই সক্রিয় করা হবে।
(সূত্র: ডয়চে ভেলে/রয়টার্স)