আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার মুখে পড়েছেন র্যাবের সদস্যরা। এ ঘটনায় এক র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে র্যাবের আরও তিন সদস্যকে আটকে রাখার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার ১৯ জানুয়ারি বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, আটকে পড়া সদস্যদের উদ্ধারে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল।
চট্টগ্রাম র্যাব ও চট্টগ্রাম পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। র্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের একটি দল জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে গেলে একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় এক সদস্য গুরুতর আহত হন এবং তিনজনকে জিম্মি করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত সদস্যকে দ্রুত উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।
জানা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় চার দশক ধরে সরকারি পাহাড় ও খাস জমি দখল করে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাটিতে এখনও সশস্ত্র পাহারার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয় এবং বহিরাগতদের প্রবেশ কার্যত নিষিদ্ধ।
জঙ্গল সলিমপুরের আয়তন প্রায় তিন হাজার একশ একর। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লিংক রোডসংলগ্ন এই এলাকার প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য নয় থেকে দশ লাখ টাকা। সে হিসাবে দখল হয়ে থাকা সরকারি খাস জমির আনুমানিক মূল্য প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থনৈতিক স্বার্থকে কেন্দ্র করেই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ, হত্যা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা চলে আসছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। এ সময় পাহাড় দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সবশেষ দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। এর পরদিন সেখানে সংবাদ সংগ্রহে গেলে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
এর আগেও জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ ও পাহাড় কাটা বন্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রশাসন বারবার হামলার মুখে পড়েছে। ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযান শেষে ফেরার পথে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ২০২২ সালেও র্যাব, পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ওপর একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এলাকাটির ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে বাহিনীর গাড়ি প্রবেশ করলেই পাহারাদারদের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা আগাম খবর পেয়ে যায়। এরপর পাহাড়ের ওপর থেকে গুলি, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ফলে এককভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাস জমিতে কারাগার, আইটি পার্কসহ অন্তত ১১টি বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে জমি উদ্ধার না হওয়ায় কোনো প্রকল্পই এখনো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার মুখে পড়েছেন র্যাবের সদস্যরা। এ ঘটনায় এক র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে র্যাবের আরও তিন সদস্যকে আটকে রাখার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার ১৯ জানুয়ারি বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, আটকে পড়া সদস্যদের উদ্ধারে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল।
চট্টগ্রাম র্যাব ও চট্টগ্রাম পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। র্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের একটি দল জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে গেলে একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় এক সদস্য গুরুতর আহত হন এবং তিনজনকে জিম্মি করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত সদস্যকে দ্রুত উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।
জানা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় চার দশক ধরে সরকারি পাহাড় ও খাস জমি দখল করে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকাটিতে এখনও সশস্ত্র পাহারার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয় এবং বহিরাগতদের প্রবেশ কার্যত নিষিদ্ধ।
জঙ্গল সলিমপুরের আয়তন প্রায় তিন হাজার একশ একর। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লিংক রোডসংলগ্ন এই এলাকার প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য নয় থেকে দশ লাখ টাকা। সে হিসাবে দখল হয়ে থাকা সরকারি খাস জমির আনুমানিক মূল্য প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থনৈতিক স্বার্থকে কেন্দ্র করেই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ, হত্যা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা চলে আসছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। এ সময় পাহাড় দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সবশেষ দুই পক্ষের গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। এর পরদিন সেখানে সংবাদ সংগ্রহে গেলে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন দুই সাংবাদিক।
এর আগেও জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ ও পাহাড় কাটা বন্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রশাসন বারবার হামলার মুখে পড়েছে। ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযান শেষে ফেরার পথে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ২০২২ সালেও র্যাব, পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ওপর একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এলাকাটির ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে বাহিনীর গাড়ি প্রবেশ করলেই পাহারাদারদের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা আগাম খবর পেয়ে যায়। এরপর পাহাড়ের ওপর থেকে গুলি, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ফলে এককভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাস জমিতে কারাগার, আইটি পার্কসহ অন্তত ১১টি বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে জমি উদ্ধার না হওয়ায় কোনো প্রকল্পই এখনো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au