চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২১ জানুয়ারি- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস এই তিন অনুবিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি তৈরি হয়েছে আয়কর খাতে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআরের হিসাবে দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ২২৯ কোটি টাকা। ফলে এই সময়ের মধ্যেই মোট রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৫ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা। যদিও বড় অঙ্কের এই ঘাটতির মধ্যেও এনবিআর গড়ে ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। তাঁদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সামগ্রিক ব্যবসা ও বাণিজ্যে ধীরগতি রয়েছে। এর পাশাপাশি এনবিআরের চলমান আন্দোলনের প্রভাবও রাজস্ব আহরণে পিছিয়ে পড়ার একটি কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
খাতভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, প্রথম ছয় মাসে আয়কর খাতে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৫ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে ৬১ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। এতে আয়কর খাতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা, যা মোট ঘাটতির অর্ধেকেরও বেশি। শুল্ক খাতে এই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৫ হাজার কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫২ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। ফলে শুল্ক খাতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। আর ভ্যাট খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা, যেখানে আদায় হয়েছে ৭০ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। এতে ভ্যাট খাতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও তা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতি, করজালের সীমিত বিস্তার এবং রাজস্ব প্রশাসনের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি অর্থবছরের মাঝপথে এক দফায় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেওয়ায় বাস্তবতার সঙ্গে ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলেও তারা মনে করেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au