চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৫ ফেব্রুয়ারি- প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, এ ধরনের অভিযান শুরু হলে তা দুই দেশের অতীত সংঘাতগুলোর চেয়েও বিস্তৃত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা জানান, সামরিক প্রস্তুতির এই অগ্রগতি চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্থবির হয়ে পড়া আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে গত সপ্তাহে ওমানে দুই দেশের কূটনীতিকরা বৈঠক করেন। তবে একই সময়ে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা সমাবেশ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানো হচ্ছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ আক্রমণ ও প্রতিরক্ষায় সক্ষম বিভিন্ন সমরাস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে।
উত্তর ক্যারোলাইনার একটি ঘাঁটিতে সেনাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্টের সামনে সব বিকল্পই খোলা রয়েছে। বিভিন্ন মতামত শোনার পর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পেন্টাগন।
গত বছরও যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরি পাঠায় এবং ‘মিডনাইট হ্যামার’ নামে একটি অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পরে কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে সীমিত পাল্টা হামলা চালায় ইরান।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এবারের সম্ভাব্য পরিকল্পনা আরও জটিল। দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে কেবল পারমাণবিক অবকাঠামো নয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা শক্তিশালী হওয়ায় এ ধরনের অভিযানে মার্কিন বাহিনীর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য। পাল্টা হামলার মাধ্যমে সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারাও দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণ চলার সম্ভাবনার কথা স্বীকার করেছেন।
ট্রাম্প এর আগে একাধিকবার ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং অভ্যন্তরীণ দমনপীড়ন ইস্যুতে দেশটিতে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। কূটনৈতিক সমাধান না হলে বিকল্প পথ ‘খুবই যন্ত্রণাদায়ক’ হতে পারে বলে সম্প্রতি সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইরানি ভূখণ্ডে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যেকোনও মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানা হবে। জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।
ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর Benjamin Netanyahu বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি হলে তাতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ইরান জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুকে আলোচনার অংশ করতে রাজি নয়।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au