আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৯ ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
চিঠিতে মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন ও সফলতা কামনা করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চিঠিতে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এমন চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কৃষক ও শ্রমিকরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য উচ্চমানের মার্কিন সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়।
চিঠির শেষাংশে দুই দেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানানো হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উল্লেখ করেন।
এর আগে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ঢাকা এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের জনগণকে সফল নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানায় এবং বিএনপি ও তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানায়। দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
নির্বাচনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারাও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে তারেক রহমান জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি দমন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার করেন। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিবাচক বার্তা বিনিময় নতুন সরকারের জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au