ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…
মেলবোর্ন, ২০ ফেব্রুয়ারি- শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর পর ঘটে যাওয়া প্রথম আলোর কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবীর খান। শুক্রবার তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে বলেন, সংবাদপত্রটিকে অগ্নিদগ্ধ হতে রক্ষা করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং এর দায় পুরোপুরি তাদের, এখানে কোনো ‘যদি’ বা ‘কিন্তু’ নেই।
ফাওজুল কবীর জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রথম আলোর দগ্ধ ভবনে শিল্প প্রদর্শনী দেখার জন্য গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “অগ্নিদগ্ধ হতে সংবাদপত্রটিকে বাঁচাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতার দায় আমাদের। এখানে কোন যদি, বা কিন্তু নেই।” তিনি আরও বলেন, “প্রথম আলো আক্রান্ত হওয়া দুঃখজনক হলেও এই ধরনের ঘটনা একেবারেই বিরল নয়। স্মরণীয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটল হিলও উগ্রপন্থীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু সংবাদপত্র রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতা অমার্জনীয়।”
ফাওজুল কবীরের মতে, শুধুমাত্র উগ্রবাদীদের দোষারোপ করেই এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো উপায় নেই। তিনি বলেন, “আমাদের সময়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর চিন্তা হলো ‘কেবল আমি ঠিক এবং অন্যরা আমাদের প্রতিপক্ষ’। এ ধারণা থেকে বের হয়ে সংলাপ শুরু করতে হবে। সব বিরুদ্ধবাদীদের অভিযোগ শুনতে ও বোঝার চেষ্টা করতে হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “অভিযোগ আছে, দেশে ইসলামপন্থী বা উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, আর প্রগতিশীলরা এর সমর্থন দিয়েছে। সাংবাদিক শফিক রহমানও বলেছেন, যদি সংগ্রাম ও নয়া দিগন্ত-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হত, হয়তো প্রথম আলো আক্রান্ত হতো না।”
ফাওজুল কবীর খান শেষ পর্যন্ত বলেন, “আবারও প্রথম আলোর ওপর হামলার নিন্দা জানাচ্ছি এবং এটি প্রতিহত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করছি।”
ফাওজুল কবীর খান ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।
প্রসঙ্গত, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরের পর ১৮ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে একদল হামলাকারী প্রথম আলোর কার্যালয়ে ঢুকে শাটার ও কাচের দরজা ভেঙে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়। একই সময়ে দ্য ডেইলি স্টার ভবনেও হামলা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট এবং পরদিন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়েও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au