চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন ২২ ফেব্রুয়ারি- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত জরুরি শুল্ক নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খেলেও এখন সামনে এসেছে আরও জটিল প্রশ্ন—ইতিমধ্যে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আদায় করা ১৩৩ বিলিয়ন ডলারের ভবিষ্যৎ কী হবে।
আদালতের এই ঐতিহাসিক রায়ের পর বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অর্থ ফেরতের দাবি তুলতে শুরু করেছে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেটিক গভর্নর জেবি প্রিটজকার সরাসরি ট্রাম্পের কাছে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ফেরতের দাবি জানিয়ে একটি বিল পাঠিয়েছেন। তার অভিযোগ, অবৈধ শুল্কের ফলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
গভর্নর প্রিটজকারের দাবি, ইলিনয়ের প্রতিটি পরিবার গড়ে ১ হাজার ৭০০ ডলার ফেরত পাওয়ার অধিকার রাখে। শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নন, বড় বড় আমদানিকারক কোম্পানিগুলোও এখন তাদের দেওয়া শুল্ক ফেরতের অপেক্ষায় রয়েছে।
তবে এই বিপুল অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বীকার করেন, অর্থ ফেরতের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আগামী দুই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত আদালতে আইনি লড়াই চলতে পারে।
ট্রাম্প এর আগে সংগৃহীত শুল্ক থেকে সাধারণ নাগরিকদের জন্য একটি রিবেট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
অর্থনীতিবিদদের ধারণা, অর্থ ফেরত দেওয়া হলে তা মূলত আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর কাছেই যাবে। পেন-হোয়ার্টন বাজেট মডেল–এর হিসাব অনুযায়ী, ফেরতযোগ্য অর্থের পরিমাণ ১৭৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
রায়ে ভিন্নমত পোষণ করে বিচারপতি ব্রেট কাভানো সতর্ক করেছেন, সংগৃহীত বিপুল অর্থ ফেরত দেওয়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা না থাকায় ভবিষ্যতে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। যদিও মার্কিন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ভুলবশত আদায় করা কর ফেরতের একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থাকে, কিন্তু একসঙ্গে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠানে শত শত কোটি ডলার ফেরত দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের নেই।
ইতিমধ্যে কস্টকো এবং রেভলন–এর মতো বড় প্রতিষ্ঠান অর্থ ফেরতের দাবিতে মামলা করেছে। ফলে বিপুল অঙ্কের এই শুল্ক অর্থ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র এখন দীর্ঘমেয়াদি আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au