বাংলাদেশ

চাঁদাবাজি কাণ্ডে আলোচিত সেই রিয়াদ আবারও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

  • 11:36 pm - February 27, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৬৭ বার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারি- চাঁদাবাজির অভিযোগে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন। এবার তিনি হত্যাচেষ্টা মামলায় আটক হয়েছেন। তার সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও তিন শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শুক্রবার তাদের ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন শুনানির জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী। তিনি আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে আব্দুর রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে তাদের মধ্যে দেখা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা নির্জনকে তাদের ‘স্থায়ী ক্যাম্পাস’ ও সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কথা বলতে বলেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শের কথা বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এ সময় আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে রিয়াদুল হাওলাদার ও সায়েম শিকদার চেয়ার দিয়ে নির্জনের পিঠ ও বুকে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে রাজ্জাক সুইচ গিয়ার ছুরি দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমণ্ডলে আঘাত করেন। এতে তার নাকে গুরুতর কাটা জখম হয় এবং প্রচুর রক্তপাত হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। ঘটনাস্থলে তার বন্ধুবান্ধব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।

পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদ-এর বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার হন। সেই ঘটনায় তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন।

নতুন করে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ায় তাকে ঘিরে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

চীনের জিয়াংসিতে ভূমিধসে নিহত ১, নিখোঁজ ১১

চীনের জিয়াংসি প্রদেশে ভারী বৃষ্টির মধ্যে ভূমিধসে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার স্থানীয়…

গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল মালকা পরিবারের ৫৫ জনের মরদেহ

গাজা সিটির জয়তুন এলাকায় একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স। নিহত সবাই মালকা পরিবারের সদস্য বলে…

রাউজানে প্রকাশ্যে খুন, ফেসবুকে হুমকিদাতা রায়হান অধরা

‘ওয়েট অ্যান্ড সি’। গত ২০ আগস্ট নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পুলিশের উদ্দেশে এমন হুমকি দিয়েছিলেন চট্টগ্রামের রাউজানের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মো. রায়হান। চার দিন পর আরেক…

চাকরির আশায় কম্বোডিয়া, ১৭ দিন ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ বন্দী

কম্পিউটারে ডেটা এন্ট্রির চাকরির আশায় দালালের মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় গিয়েছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁর পাসপোর্ট ও মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে একটি…

নড়াইলে বাড়ির সামনে থেকে হিন্দু শিক্ষিকার গলার চেইন ছিনতাই

নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের পুরো ঘটনা ওই শিক্ষিকার বাড়ির সিসিটিভি…

৭ গোলের জয়েও আক্ষেপ বাংলাদেশের কোচের

এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-২০ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বড় ব্যবধানে জয় পেলেও দলের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেননি বাংলাদেশের কোচ মহসিন। বিশেষ করে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au