বাংলাদেশের হাইকোর্ট। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২ মার্চ- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির চার প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন-কুড়িগ্রাম-২ আসনের বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন। তারা অভিযোগ করেছেন যে ভোটের ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এই চার আসনের রেজাল্ট শিট হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব পৃথকভাবে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার আরও চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সেগুলো হলো—শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭, এবং গাইবান্ধা-৪। আবেদনকারী ছিলেন শেরপুর-১ আসনের বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনের জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনের জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারার অধীনে নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় বলা হয়েছে, এই বেঞ্চের আওতায় অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারসহ ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের নির্বাচনী আবেদনপত্রও স্থানান্তরিত হবে। এই বেঞ্চ আবেদনপত্র গ্রহণ, রুল জারি এবং শুনানি পরিচালনা করবে।