মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি সংক্রান্ত চার মামলায় হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার জারি করা রুল অনুযায়ী এই রায় দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসরুল হক চৌধুরী, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, মোতাহার হোসেন সাজু, সাঈদ আহমেদ রাজা এবং আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের আরেকটি মামলা থাকায় তিনি এখনই সম্পূর্ণভাবে কারামুক্তি পাচ্ছেন না।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ মামলার পাশাপাশি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা করা হয়।
একটি মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা হয়। ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় এই মামলাটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভুঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন জনৈক নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করে।
নিম্ন আদালতে এসব মামলায় খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। এরপর হাইকোর্ট ৫ মামলার জামিন বিষয়ে রুল জারি করে শুনানি সম্পন্ন করে এ রায় দেন।