কামরুল হাসান মিঠু। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৯ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় কৃষক লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর তাঁর বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নেতা মারা গেলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত কামরুল হাসান মিঠু (৪০) মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর বাড়ি করিসা দুর্গাপুর গ্রামে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে নিজ জমিতে সেচ দেওয়ার সময় প্লাস্টিকের পাইপ ফেটে কিছু পানি পাশের জমিতে চলে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একই এলাকার বাসিন্দা মো. সাদ্দাম (২৮), যিনি নিহতের ভাতিজা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কামরুল হাসানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে ঘটনার পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত সাদ্দাম থানায় গিয়ে মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে উল্টো কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।
মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী জানান, অভিযোগ দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালে কামরুল হাসানের মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই অভিযুক্ত সাদ্দাম আত্মগোপনে রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সাদ্দামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রোববার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।