সরকার পতনের জন্য ফেডারেল সরকারের ২ কোটি ৯৫ লাখ ডলার কারা পেয়েছিলেন
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- ‘ বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার পতনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে’ এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক…
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব দেশের অভিবাসীদের মধ্যে সরকারি সহায়তা বা ওয়েলফেয়ার সুবিধা গ্রহণের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভিসা সংক্রান্ত এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত কেবল অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। পর্যটক, শিক্ষার্থী বা অন্যান্য অনভিবাসী ভিসার ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
বার্তায় আরও জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর রয়েছে। ফলে বাংলাদেশসহ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে অভিবাসী ভিসা পাচ্ছেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে অভিবাসীদের মধ্যে সরকারি সহায়তা গ্রহণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের ওয়েলফেয়ার গ্রহণের হারসংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করেন।
‘ইমিগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার রেসিপিয়েন্ট রেটস বাই কান্ট্রি অব অরিজিন’ শিরোনামের ওই তালিকায় ১২০টি দেশ ও অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৯তম। তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারের প্রায় ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে থাকে।
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও নেপাল এই তালিকায় ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখা বহু মানুষের পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা পরিবারভিত্তিক বা কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসী ভিসার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়বে।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই স্থগিতাদেশ কতদিন বহাল থাকবে বা ভবিষ্যতে নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au