আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, ছবি: সেন্টকম
মেলবোর্ন, ২৬ এপ্রিল- আরব সাগরে ইরানের একটি জ্বালানিবাহী জাহাজ আটক করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী, যা নিয়ে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন সামরিক কমান্ড সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া বহর’-এর অংশ হিসেবে ব্যবহৃত ‘এমভি সেভান’ নামের জাহাজটি বিদেশি বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও গ্যাসজাত পণ্য বহন করছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পণ্যের আর্থিক মূল্য কয়েক’শ কোটি ডলারের সমান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, শনিবার ভোরে আরব সাগর-এ মার্কিন নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার জাহাজটিকে বাধা দেয়। পরবর্তীতে জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর নজরদারিতে ইরানের দিকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চলতি মাসের শুরু থেকেই ইরানের উপকূলমুখী বা সেখান থেকে আসা জাহাজগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। প্রয়োজনে এসব জাহাজ আটক বা ফেরত পাঠানো হচ্ছে, যা তাদের ঘোষিত নৌ অবরোধ নীতির অংশ।
সেন্টকম দাবি করেছে, ইরানি বন্দরগুলোকে ঘিরে এই অবরোধ কার্যত পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে করে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের জ্বালানি রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, আরব সাগর অঞ্চলে এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি