২১ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ষরে লেখা দিন
মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট: দুই যুগ ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে লিখছি। অনেক আন্দোলন, অনেক বিজয় দেখেছি। কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের মতো বর্বরতা আমাদের গণতন্ত্রের…
মেলবোর্ন,১০ মে- নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার, জামিন ও জামিন স্থগিতের জটিল প্রক্রিয়ায় আটকে আছেন, যেখানে জামিন পেলেও এখনো তিনি কারামুক্ত হতে পারেননি।
আইভীকে প্রথমে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়, সেগুলোতে তিনি জামিন পান। এরপর আরও পাঁচটি নতুন মামলায় তাকে আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলে সেখানেও জামিন মঞ্জুর করে আদালত। পরে আরও দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং সেখানেও জামিন পান তিনি। তবে আগের দুই দফার মোট ১০টি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে স্থগিত করা হয়েছে।
সর্বশেষ দুটি মামলায় দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে, যা এখনো শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
আইভীর বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটির এজাহারে তার নাম সরাসরি উল্লেখ নেই বলে জানা গেছে।
গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক বছর পার হলেও মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
আইভীর আইনজীবীরা বলছেন, একের পর এক নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর কারণে তার মুক্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে বারবার মামলায় জড়ানো হচ্ছে।
হাইকোর্ট গত ২৬ এপ্রিল এক আদেশে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া আইভীকে গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং তাকে হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা, পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলা।
আইভীর ছোট বোন মিনু আহমেদ দাবি করেন, তার বোন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে প্রতিপক্ষ শক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে তাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।
অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলাগুলোর প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় এবং আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au