বাংলাদেশ

অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বানানোর নির্দেশ শুভেন্দুর, টার্গেটে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা

  • 9:31 pm - May 24, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৩১ বার
'হোল্ডিং সেন্টার' বানানোর নির্দেশ শুভেন্দুর, টার্গেটে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা ।ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৪ মে-  পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার আরও কঠোর অবস্থানে গেল রাজ্য সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের এসব কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত আটকে রেখে নাগরিকত্ব যাচাই করা হবে।

রোববার (২৪ মে) প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। সেই উদ্দেশ্যেই জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

নবান্নের এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক, সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছে। পাশাপাশি কলকাতাসহ প্রতিটি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারদেরও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে তার সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট’ নীতি অনুসরণ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা কার্যকর করেনি। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই আইন বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।

রাজ্য সরকারের দাবি, যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ’র আওতায় পড়বেন না, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে এবং পরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২ মে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আট পাতার একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। সেখানে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির সুপারিশ করা হয়। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিক বলে সন্দেহ হলে তাকে আটক করে ৩০ দিন পর্যন্ত বিশেষ কেন্দ্রে রাখা যাবে। এই সময়ের মধ্যে তার নথিপত্র যাচাই করে নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসক বা ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর।

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করতে হবে। পরে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ভারতে ‘ব্ল্যাকলিস্টেড’ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে তদন্ত শেষ হওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বা উপকূলরক্ষী বাহিনী সরাসরি হোল্ডিং সেন্টার থেকে তাদের নিজ দেশের সীমান্তে পাঠিয়ে দিতে পারবে।

এই শাখার আরও খবর

মহানবমী আজ, কাল প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হবে দুর্গোৎসব

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)। দিনভর নানা ধর্মীয় আচার, পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপিত…

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ঝরল ১০ প্রাণ, আহত আরও ২০

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে ভোরের আলো ফোটার আগেই সড়কে ঝরল ১০ প্রাণ। যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০ জন।…

‘আমি ভয় পাই না’, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার কথা আবারও বললেন শেখ হাসিনা

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা আবারও জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার, নির্যাতন কিংবা হত্যার শিকার হতে পারেন বলে…

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানত না সরকার

সৌদি আরবের মক্কায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় তাঁদের বিচারপ্রক্রিয়া ও অভিযোগের বিস্তারিত জানতে পারেনি বাংলাদেশ সরকার। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশের দূতাবাস বা…

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণনির্ভর!

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: নিত্যদিনের খরচ বাড়ছে, কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়ছে না আয়। সংসারের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে তাই ধারদেনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বাংলাদেশের বহু পরিবারকে।…

বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার সংকট কেন কাটছে না?

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: রাজনৈতিক সহিংসতা, গণপিটুনি, চাঁদাবাজি এবং স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই—বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সংকটকে কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধের সমষ্টি হিসেবে দেখলে এর গভীরতা বোঝা কঠিন। দীর্ঘদিনের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au