বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
মেলবোর্ন, ২৭ মে- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে, যা নিয়ে নতুন…
মেলবোর্ন, ২৫ মে- ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাড়িতে হামলা চালায় একদল উন্মত্ত জনতা। তাদের হাতে ছিল হাতুড়ি, লোহার রড ও একটি খননযন্ত্র। রাত নামার আগেই তারা ভবনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ধ্বংসস্তূপের ওপর হামাসের পতাকা উড়িয়ে দেয়।
বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিকের কাছে ঘটনাটি হয়তো দূরবর্তী কোনো অস্থিরতা বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা উচিত বলে দাবি করা হয়ছে দ্য অস্ট্রেলিয়া টুডের প্রতিবেদনে ।
ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মাঝখানে অবস্থিত ১৭ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশ এখন ইসলামপন্থি পুনরুত্থানের গভীরে প্রবেশ করেছে, যার বাস্তব প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও পড়তে পারে। এই পুনরুত্থানের পেছনের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেও সক্রিয় রয়েছে।

বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
বিদায়ের পর কী ভেঙে পড়ল শেখ হাসিনা
এক দশকের বেশি সময় ধরে শেখ হাসিনার সরকারকে বাংলাদেশে ইসলামি উগ্রবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক দেয়াল হিসেবে দেখা হতো। তাঁর সরকার জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট গঠন করে, জামায়াতে ইসলামীর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে এবং দেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক উগ্রবাদী ব্যক্তিদের কারাগারে আটকে রাখে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সেই প্রতিরোধব্যবস্থা রাতারাতি ভেঙে পড়ে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলন। ছবিঃ সংগৃহীত
এরপর দেশজুড়ে ঘটে ব্যাপক কারাগার ভাঙার ঘটনা। ৭০০-র বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ৭০ জনেরও বেশি পরিচিত জঙ্গি ছিল, যারা কারারক্ষীদের অস্ত্র লুট করে পালিয়ে যায়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার জঙ্গি সংশ্লিষ্ট ১৭৪ জনকে জামিনে মুক্তি দেয়।
এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিলেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিমউদ্দিন রাহমানী। ২০১৩ সালে এক ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার হত্যাকাণ্ডে দণ্ডিত এই ব্যক্তি মুক্তির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভারতবিরোধী হুমকি দিতে শুরু করেন এবং উপমহাদেশজুড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতার আহ্বান জানান। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সংশ্লিষ্ট আট জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তখনই এই উগ্রবাদের প্রভাব সীমান্ত অতিক্রম করতে শুরু করে।
২০০৯ সাল থেকে নিষিদ্ধ হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার এর জবাবে সংগঠনটির কথিত প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাসিমুল গণিকে স্বরাষ্ট্রসচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। লেখকের ভাষায়, জাতীয় নিরাপত্তার দায়িত্বে এমন একজনকে বসানো হয়, যার বিরুদ্ধে একটি নিষিদ্ধ ইসলামপন্থি সংগঠনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
২০২৫ সালের মার্চে হিযবুত তাহরীর ঢাকার প্রধান মসজিদের কাছে “মার্চ টু খেলাফত” কর্মসূচি পালন করে। একই সময় রাজধানীতে কিছু কলেজশিক্ষার্থীকে আইএসের পতাকা বহন করে খেলাফতের দাবিতে মিছিল করতে দেখা যায়। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখক দাবি করেন, বাংলাদেশে প্রকাশ্য ও সংগঠিত ইসলামপন্থি রাজপথের শক্তি আবার দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

বিতর্কিত সংগঠন ‘হিজবুত তাহরীর’ পতাকা । ছবিঃ সংগৃহীত
ঢাকা থেকে কাবুল, তারপর কুয়ালালামপুর
প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ এখন বিদেশি যোদ্ধা তৈরির একটি রুটে পরিণত হয়েছে। তরুণরা শ্রমিক পরিচয়ে দুবাই বা সৌদি আরবে যায়, এরপর সেখান থেকে আফগানিস্তানে গিয়ে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানে (টিটিপি) যোগ দেয়।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানে ৫৪ টিটিপি সদস্যের সঙ্গে এক বাংলাদেশি নিহত হন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় আরেক বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়, যিনি টিটিপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে টিটিপি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের একজনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ ছিল এবং কয়েক মাস আগেই তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। তার জবানবন্দিতে সৌদি আরব হয়ে পাকিস্তানে আরও ২৫ তরুণকে পাঠানোর প্রস্তুতির তথ্য উঠে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২০২৫ সালের জুনে মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর ও জোহর এলাকায় আইএস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অভিযোগে ৩৬ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা শুধু সমর্থক ছিলেন না, বরং সক্রিয় নিয়োগচক্র পরিচালনা করছিলেন, আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তর ও ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করছিলেন এবং সিরিয়ায় আইএসের কাছে অর্থ পাঠাচ্ছিলেন।
সিঙ্গাপুরের এস. রাজরত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকেই সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে একই ধারা দেখা যাচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিবছর লাখো বাংলাদেশি শ্রমিক বিদেশে যান এবং যেসব অভিবাসন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওই ৩৬ জন মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন, সেগুলোর সঙ্গে নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়েরও সংযোগ রয়েছে। লেখকের মতে, এবার এসব চক্র মালয়েশিয়ায় ধরা পড়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র হতে পারে তাদের পরবর্তী গন্তব্য।
ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় জামায়াতের নেটওয়ার্ক
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ইসলামপন্থী পুনরুত্থানের কেন্দ্রীয় শক্তি জামায়াতে ইসলামীর যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক উপস্থিতি রয়েছে। নিউইয়র্কের কুইন্সভিত্তিক ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকার (আইসিএনএ) মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
২০১৮ সালের এক মার্কিন কংগ্রেস শুনানির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, আইসিএনএ জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ থেকেই গড়ে উঠেছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ব্যক্তিদের একজন আশরাফুজ্জামান খানকে ১৯৭১ সালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে জড়িত আল-বদর বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অনুপস্থিত অবস্থায় দোষী সাব্যস্ত করেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি বহু বছর নিউইয়র্কে বসবাস করে আইসিএনএর কুইন্স শাখা পরিচালনা করেছেন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দল ইসলামপন্থী দল জামায়াত। ছবিঃ সংগৃহীত
২০১৬ সালে আইসিএনএ আল-বদর বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতাকে মরণোত্তর “ইসলামের প্রতি অসামান্য অবদানের” জন্য সম্মাননা দেয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২০১৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় দলের সমর্থনে গৃহীত এক প্রস্তাবে পররাষ্ট্র দপ্তর, ডিএইচএস ও ইউএসএইডকে আইসিএনএ, আইসিএনএ রিলিফ ও এর সহযোগী সংস্থা হেল্পিং হ্যান্ড ফর রিলিফ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সব ধরনের অংশীদারত্ব বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। এর কারণ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্য দায়ী লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে আইসিএনএর সম্ভাব্য আর্থিক যোগাযোগ তদন্তেরও আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী অতীতে “গো আমেরিকা গো” স্লোগানে সমাবেশ করেছে, যেখানে “আমেরিকান সেনাদের মৃত্যু”র স্লোগান দেওয়া হয় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়।
২০২৫ সালের জুনে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট জামায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে দলটি ৭০টির বেশি সংসদীয় আসন লাভ করে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। লেখকের ভাষায়, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ থাকাকালেও সংগঠনটির মার্কিন নেটওয়ার্ক কখনও অদৃশ্য হয়নি।
নিজেদের সংকট অস্বীকার করছে সরকার
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২৪ সালের সন্ত্রাসবাদবিষয়ক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে আইএস ও আল-কায়েদা সক্রিয়ভাবে অস্ত্র মজুত করছে এবং হামলার পরিকল্পনা করছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত
একইসঙ্গে মার্কিন হাউস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটি বিদেশি জঙ্গি নেটওয়ার্কের পুনরুত্থান এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উগ্রবাদী নিয়োগ কার্যক্রম বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে এই দুই প্রবণতাই বাস্তবে দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে সংসদ ভবন, নিরাপত্তা স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশজুড়ে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হলেও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রকাশ্যে দেশে জঙ্গি অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। লেখকের মতে, যে সরকার হুমকির অস্তিত্বই স্বীকার করতে চায় না, তারা সেই হুমকি মোকাবিলাও করতে পারবে না।
এদিকে ২০১৯ সালে গঠিত জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকিয়া, যাকে বাংলাদেশের তিনটি বিপজ্জনক জঙ্গি সংগঠনের জোট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, তাদের শীর্ষ নেতারা বর্তমানে জামিনে মুক্ত বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। সংগঠনটির লক্ষ্য হিসেবে বাংলাদেশে ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠা, প্রতিবেশী দেশের অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং শেষ পর্যন্ত পুরো দক্ষিণ এশিয়া দখলের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে সতর্কতা, নজরদারি জোরদার। ছবিঃ সংগৃহীত
প্রতিবেদনটির শেষাংশে বলা হয়, শেখ হাসিনার প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা কাঠামো ভেঙে পড়ার ফলে দণ্ডিত জঙ্গিরা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, খেলাফতপন্থিরা রাজপথে শক্তি প্রদর্শন করছে, জাতীয় স্মৃতিচিহ্নের ওপর হামাসের পতাকা ওড়ানো হচ্ছে, কুইন্স থেকে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট সংগঠন কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি আইএস চক্র সিরিয়ায় অর্থ পাঠাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের উচিত দ্রুত ঢাকার সঙ্গে কার্যকর সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা জোরদার করা, জঙ্গিদের জামিনে মুক্তির বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা। প্রতিবেদনের ভাষায়, প্রতিরোধের সুযোগ এখনও আছে, তবে তা অনির্দিষ্টকাল খোলা থাকবে না।
সূত্রঃ দ্য অস্ট্রেলিয়ান টুডে; অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ ওটিএন বাংলা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au