বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
মেলবোর্ন, ২৭ মে- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে, যা নিয়ে নতুন…
মেলবোর্ন, ২৬ মে- সিরিয়ার কুখ্যাত আল-রোজ শরণার্থী শিবিরে আটকে থাকা আইএস-সংশ্লিষ্ট অস্ট্রেলীয় নারী ও শিশুদের বেশিরভাগই দেশে ফিরছেন। তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের জারি করা সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কারণে এক নারী ও তার সন্তান ফিরছেন না বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে সাত নারী ও ১৪ শিশুকে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কুর্দি নিয়ন্ত্রিত আল-রোজ ক্যাম্প থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তাদের দামেস্কে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তারা কাতারের দোহা হয়ে সিডনি ও মেলবোর্নের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এক বিবৃতিতে বলেন, এই দলের সবাই ছাড়া দুইজন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরছেন। তিনি জানান, সরকার এ যাত্রায় কোনো সহায়তা দেয়নি এবং দেবে না।
তিনি বলেন, “এরা ভয়ংকর একটি সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং নিজেদের সন্তানদেরও এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছিল।”
যে নারী ফিরছেন না, তিনি হলেন পশ্চিম সিডনির হোদান অ্যাবি। কিশোরী বয়সে তিনি অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে ‘টেম্পোরারি এক্সক্লুশন অর্ডার’ বা সাময়িক প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা। জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এ ধরনের আদেশের মাধ্যমে কাউকে সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়া যায়।
হোদান অ্যাবির সন্তান এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় না থাকলেও মায়ের সঙ্গে সিরিয়াতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে এবিসি।
আইএসের তথাকথিত খেলাফত পতনের পর বছরের পর বছর এসব নারী ও শিশু নোংরা ও মানবেতর পরিবেশে পরিচালিত বন্দিশিবিরে ছিলেন। অনেক শিশুর জন্মও হয়েছে কাঁটাতারের ভেতরে। তবে তাদের অনেকেই এখনও স্পষ্ট অস্ট্রেলীয় উচ্চারণে কথা বলে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসে সিরিয়া থেকে ফেরত আসা আরও ১১ জন অস্ট্রেলীয়র মধ্যে তিন নারীকে বিমানবন্দরেই গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কাওসার আব্বাস ও তার মেয়ে জেইনাব আহমাদের বিরুদ্ধে দাসত্ব আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। আর জানাই সাফারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দেওয়া ও ঘোষিত সন্ত্রাসী এলাকায় ভ্রমণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সরকার সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশে ফিরে কেউ অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুত্রঃ এবিসি নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au