বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও করণীয়: সত্যের মুখোমুখি

মতামত- সরদার সেলিম রেজা

  • 6:00 pm - May 30, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৫২ বার
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও করণীয়: সত্যের মুখোমুখি। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ৩০ মে- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জন্মের ভিত্তি। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকা শুধু রঙিন কাপড় নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয়। সেই পতাকার মাঝখানে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের একজনের ছবি বড় করে বসিয়ে দেওয়ার ঘটনা তাই নিছক নকশার ভুল ছিল না। সরকারি খরচে ডিজাইন, অনুমোদন ও প্রচার—সব ধাপ পেরিয়ে যখন পোস্টারটি প্রকাশ পেল, তখন জাতীয় পতাকা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দুই-ই অপমানিত হলো। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিষ্ঠিত সত্যকে মুছে ফেলে ২০২৪-কে “দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ” বানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু এই অপচেষ্টার দায় এড়ানো যায় না। সরকার বদল হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের জন্মকথা বদলায় না। যারা পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধার অবমাননা করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। ইতিহাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ দিলে ভবিষ্যতের ভিত দুর্বল হয়।

ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়েছে। হেফাজতে ইসলাম, হিজবুত তাহরী ও ছাত্র শিবির একযোগে ইসকন নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে। এর মাঝে ইসকনের মুখপাত্র চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হলো। অভিযোগ স্পষ্ট নয়, আর তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াতে পারছেন না। চট্টগ্রামে সনাতনী নেতার মামলায় জামিন ঠেকাতে ৭০ জন হিন্দু আইনজীবীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঢাকার আইনজীবীরা এগিয়ে আসতে চাইলে প্রকাশ্য হুমকি এসেছে। ফল যা হওয়ার তাই—জামিন শুনানি বারবার স্থগিত। আদালত কক্ষ যদি ভয়ের জায়গা হয়ে ওঠে, তবে ন্যায়বিচার অচল। আইন যখন অস্ত্র হয়, তখন সংখ্যালঘু থেকে ভিন্নমতের সবাই টার্গেটে পরিণত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে ৩৭০টি কনটেইনারে অস্ত্র আসার খবর উদ্বেগজনক। বন্দর-নিরাপত্তা ফাঁকি দিয়ে এত অস্ত্র ঢুকলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়ে। একই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বক্তব্য আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। সেসব কথা কি আমরা ভুলে গেলাম। তিনি বলেছেন, “মৃত্যু আমাদের ছুঁয়ে গেছে”, “এ যুদ্ধ হবে, কোনো না কোনো ফরমেটে”। রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা কারও মুখ থেকে গৃহযুদ্ধের ইঙ্গিত মানে জনমনে ভয় ঢোকানো। গৃহযুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে মব জাস্টিস, গ্রেফতার ও হয়রানি বেড়েছে।

জুলাই আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি চরমে। জাতিসংঘের রিপোর্টে ১৪০০, সরকারের হিসাবে ৮৬৩। ইতিমধ্যেই দুই শতাধিক শহীদ  বাড়ি ফিরে আসার খবর

এসেছে। এত বড় ব্যবধান মানে তথ্যের ঘাটতি ও রাজনৈতিক ব্যবহার দুটোই আছে। লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়া, জেলা ভিত্তিক তালিকা ছাড়া, মৃত্যুর কারণ ও সময় নির্ধারণ ছাড়া প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ সম্ভব নয়। সাংবাদিক ও নিরপেক্ষ সামাজিক ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কবর খুঁড়ে, ডেথ সার্টিফিকেট যাচাই করে, পরিবারের সাক্ষ্য নিয়ে আসল তালিকা তৈরি করা জরুরি। যতদিন তা না হবে, ততদিন “জুলাই ব্যবসা” চলবে—শহীদের নামে রাজনীতি, শহীদের লাশে ক্ষমতার দরকষাকষি। দেশের মানুষ সঠিক ইতিহাসটুকু পাওয়ার অধিকার রাখে। জাতিসংঘের কাছে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার দায়ও তদন্তের আওতায় আনা দরকার।

রাষ্ট্রের প্রতীক ও স্মৃতির ওপর হামলা থেমে নেই। বঙ্গভবন থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলা হলো। অ্যাটর্নি জেনারেল ও বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বললেন, “শেখ মুজিবকে জাতির পিতা বলা মূল সংবিধানের কনসেপ্টের পরিপন্থী”। ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা হলো। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও মিরপুর বধ্যভূমিতে ফুল দিতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাধার মুখে পড়লেন। যে দিনে জাতি মেধাবী সন্তান হারানোর বেদনায় মাথা নোয়ায়, সে দিনে বিজয়ীদেরই অপমানিত হতে হলো। দেশের মানুষ কি ভুলে গেছে? ১৯৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। সেই হত্যার উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা। ২০২৪-এর ১৪ ডিসেম্বরে সেই চক্রান্তেরই প্রতিধ্বনি শোনা গেল। যারা ভুলতে চায়, তারা আসলে বাংলাদেশের জন্মই অস্বীকার করতে চায়।

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসেও একই চিত্র। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও টুঙ্গিপাড়ার সমাধিসৌধ তালাবদ্ধ রাখা হলো। বিজয়ের দিনেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হলো। একই দিনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বেগম জিয়াকে “প্রথম ও প্রধান মহিলা মুক্তিযোদ্ধা” বলে দাবি করলেন, আর শামসুজ্জামান দুদু বললেন জিয়াউর রহমানই “প্রথম ও প্রধান মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষক”। ইতিহাস নিয়ে এভাবে পাল্টাপাল্টি দাবি মানে জাতির স্মৃতি মুছে নতুন স্ক্রিপ্ট লেখা। ধানমন্ডি ৩২ থেকে আওয়ামী লীগের লোকজন ধরে নিয়ে গুম করার অভিযোগও উঠেছে। রাষ্ট্র যদি বিজয় দিবসেই নিজের স্থপতিকে অস্বীকার করে, তবে জাতির ভবিষ্যৎ কোন পথে হাঁটবে?

বিচারব্যবস্থার অবস্থা আরও ভয়াবহ। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় অপরাধীদের স্বীকারোক্তি ও অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সব আসামি খালাস পেয়েছে। এটি বিচার বিভাগের বিকৃতির নগ্ন প্রমাণ। নাট্য ব্যক্তিত্ব ও সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর কারাবন্দী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন। পুলিশ প্রহরার মধ্যেও তাঁর শরীরে আঘাত করা হলো। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নির্যাতন—এর চেয়ে লজ্জার কিছু নেই। নির্দোষ মানুষ জামিন পাচ্ছে না, আইনজীবী কথা বলতে পারছে না, আদালত শুনানি পেছাচ্ছে। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা কখনোই পুরোপুরি কলঙ্কমুক্ত ছিল না, কিন্তু আইনকে কাফকার মতো রাজনৈতিক নিপীড়নের যন্ত্রে রূপান্তর করার নজির অভূতপূর্ব। এটি নির্ভেজাল কর্তৃত্ববাদ, যেখানে ন্যায়বিচার বিকৃত, আইন অস্ত্র, আর মানবাধিকার বিতাড়িত।

সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলা চলছে ভূ-রাজনীতির মাঠে। ২০২৪-কে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ বানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এখন ভারত-বিরোধিতা ও পাকিস্তান-প্রেমের নতুন ন্যারেটিভ সামনে আনা হচ্ছে। জনগণকে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। একটি দল, যাদের ১৯৭১-এ ভূমিকা বিতর্কিত, তারা নিজেদের দায় ঢাকতে ১৯৭১-এর প্রধান শক্তিকে “রাজাকার” বানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। যুদ্ধ লাগানো মানে ধ্বংসকে দাওয়াত দেওয়া। সার্বভৌমত্ব রক্ত-ঘামে কেনা জিনিস, মুখের কথায় ছিনিয়ে নেওয়া যায় না। রাজনৈতিক দলগুলো বাঙালির আবেগ নিয়ে খেলে অভ্যস্ত। কিন্তু আবেগ দিয়ে রাষ্ট্র চলে না, বিবেক দিয়ে চলে।

১৮ মাসের সুদি ইউনুসের অপশাসনের পতন হয়েছে। জনগণ ক্লান্ত হয়ে সেই অধ্যায় বন্ধ করেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, অপশাসনের মানসিকতা, মব-কালচার ও ঘৃণার রাজনীতি এখনও বেঁচে আছে। ব্যক্তি গেছে, পদ্ধতি রয়ে গেছে। এই ধারাবাহিকতা না ভাঙলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।

তাহলে করণীয় কী?

প্রথমত, ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা ফেরাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের দলিল, পতাকা, বঙ্গবন্ধুর ছবি ও সমাধিসৌধ—এগুলো কোনো দলের সম্পত্তি নয়, জাতির সম্পদ। এগুলোর অবমাননা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। দোষীদের দ্রুত বিচার করতে হবে। ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪-এ মুক্তিযোদ্ধাদের যে অসম্মান করা হয়েছে, তার তদন্ত ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, জুলাইয়ে নিহতদের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত চাই। প্রতিটি লাশের ময়নাতদন্ত, জেলা-উপজেলা ভিত্তিক তালিকা, মৃত্যুর কারণ ও সময় নির্ধারণ করতে হবে। সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের সামনে কবর খুঁড়ে, ডেথ সার্টিফিকেট যাচাই করে প্রকৃত সংখ্যা বের করতে হবে। জাতিসংঘের রিপোর্ট ১৪০, সরকারের হিসাব ৮৬৩—এই গরমিলের জবাব দিতে হবে। শহীদের রক্ত নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।

তৃতীয়ত, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। আইনজীবীর ওপর হামলা, আদালতে হুমকি, জামিন বন্ধ—এগুলো বন্ধ করতে হবে। চিন্ময় প্রভুসহ যারা বিনা বিচারে আটক, তাদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একুশে আগস্ট মামলার রায় পুনর্বিবেচনার পথ খোলা রাখতে হবে।

চতুর্থত, সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ইসকন নিষিদ্ধের দাবি, ধর্মীয় বিদ্বেষ—এগুলো উসকানি ছাড়া কিছু নয়। রাষ্ট্র সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করবে, এটাই সংবিধানের নির্দেশ।

পঞ্চমত, নির্বাচন দিতে হবে। “আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন”—এই অজুহাত দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখা যাবে না। জনগণের রায়ই সকল সংস্কারের বৈধতা দেয়। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। গণহত্যার বিচার চলবে, কিন্তু গণতন্ত্র বন্ধ থাকবে না।

ষষ্ঠত, যুদ্ধের উসকানি বন্ধ করতে হবে। ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তুলে অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা বিপজ্জনক। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে শান্তি, সহাবস্থান ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে।

সবশেষে, জাতিকে বিভাজন নয়, ঐক্যের পথে হাঁটতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে সবার জন্য বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশে রাজা-প্রজা নেই, আছে নাগরিক। সেই নাগরিকের নিরাপত্তা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।

১৯৭১ আমাদের শিখিয়েছে—শিকড় ছাড়া গাছ বাঁচে না, সত্য ছাড়া জাতি টেকে না। ২০২৪ আমাদের শিখিয়েছে—আবেগ দিয়ে রাষ্ট্র গড়া যায় না, প্রতিষ্ঠান ছাড়া গণতন্ত্র টেকে না। এখন সময় সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানোর, মিথ্যার ব্যবসা বন্ধ করার, আর বাংলাদেশকে তার নিজস্ব পথে ফেরানোর।

লেখক- সরদার সেলিম রেজা, কবি ও পরিবেশ কর্মী।প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র।

এই শাখার আরও খবর

কেনিয়ার স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মেলবোর্ন, ৩১ মে- কেনিয়ার একটি আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭৯ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। প্রাথমিক…

কোন পথে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ?

মেলবোর্ন, ৩০ মে- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি আবার দেশে ফিরতে পারবেন? সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য, ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

১০ দিনের মৃত্যুফাঁদ পেরিয়ে গুহা থেকে জীবিত উদ্ধার ৫ স্বর্ণখনি শ্রমিক

মেলবোর্ন, ৩১ মে- লাওসের একটি দুর্গম পাহাড়ি গুহায় টানা ১০ দিনেরও বেশি সময় আটকা থাকার পর নাটকীয় অভিযানে জীবিত উদ্ধার হয়েছেন পাঁচ গ্রামবাসী স্বর্ণখনি শ্রমিক।…

নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা, তাণ্ডব-ভাঙচুরের পর করা হলো প্রস্রাব

মেলবোর্ন, ৩১ মে- নেদারল্যান্ডসের বন্দরনগরী রটারডামে একটি মসজিদে হামলা, ভাঙচুর ও ধর্মীয় অবমাননার ঘটনায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়াল ভাঙচুর, বিয়ার বোতল নিক্ষেপ…

ক্ষমতা হারানোর দুই বছর পর কোথায় দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ?

মেলবোর্ন, ৩০ মে- একসময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে বিবেচিত আওয়ামী লীগ আজ কার্যত জনপরিসর থেকে প্রায় অদৃশ্য। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঐতিহাসিক রাজনৈতিক স্থাপনা,…

নির্বাসন, আইনি লড়াই ও ভূরাজনীতি: শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে?

মেলবোর্ন, ৩০ মে- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি আবারও দেশে ফিরবেন? সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য, ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au