এক ইনজেকশনেই নির্মূল হবে ক্যানসারের টিউমার
মেলবোর্ন, ১ জুন- ক্যানসার চিকিৎসায় বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখাচ্ছে নতুন একটি পরীক্ষামূলক ইনজেকশন। আন্তর্জাতিক এক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, ‘অ্যামিভান্টাম্যাব’ নামের এই ওষুধ কিছু…
মেলবোর্ন, ৩১ মে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরাক যুদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় কৌশলগত ভুল। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইরানেও দীর্ঘদিন উপস্থিত থাকা উচিত ছিল না। তবে তার দাবি, কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ না নিলে ইরান ইতোমধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইরাকে সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ এবং শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে জড়ানো উচিত হয়নি।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রও ইরানে দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা চায়নি। তবে তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে পরিচালিত হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ওই অভিযান না হলে তেহরান এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সফল হতে পারত।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান চালায়নি। বরং পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা অনেক ক্ষেত্রে সংযত অবস্থান নিয়েছে। তার দাবি, ইরানের সামরিক কাঠামোর বড় অংশ অক্ষত রাখা হয়েছে, কারণ ওয়াশিংটনের ধারণা ছিল দেশটির সামরিক বাহিনীর কিছু অংশ তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত আচরণ করছে।
তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু গোষ্ঠী ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, যাদের তারা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেছে। ট্রাম্প বলেন, অতীতে বিভিন্ন যুদ্ধে পুরো রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার ফলে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই ইরানের ক্ষেত্রে ভিন্ন কৌশল অনুসরণ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে তিনি ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে প্রয়োজনীয় বলে তুলে ধরেছেন।
তবে ট্রাম্পের দাবি সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে তার উল্লেখ করা সামরিক অভিযান ও ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এখনো কোনো স্বাধীন যাচাই-বাছাইয়ের তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি আগামী দিনগুলোতেও আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au