নিখোঁজের দুই দিন পর বুড়িগঙ্গায় মিলল জাবি শিক্ষার্থী দ্বীপের মরদেহ
মেলবোর্ন,১৫ জুন- দুই দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবার, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে…
মেলবোর্ন,১৫ জুন- সিডনির জনপ্রিয় কুগি সৈকতে হাঙরের হামলায় এক নারী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার পর সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সাঁতারু ও পর্যটকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সৈকত এলাকায় ড্রোন ব্যবহারের বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শনিবার সকালে সিডনির পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কুগি সৈকতে তীর থেকে মাত্র ১০০ ফুট দূরে সাঁতার কাটার সময় ৩৫ বছর বয়সী এক নারী হাঙরের আক্রমণের শিকার হন। হামলায় তার বাম পায়ের নিচের অংশ এবং হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার নিবিড় চিকিৎসা শুরু করেন।
ঘটনার পরপরই কুগি সৈকতসহ আশপাশের কয়েকটি সৈকত ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে হাঙরটির অবস্থান শনাক্ত করতে জরুরি ভিত্তিতে ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি অভিযান চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্যাডেলবোর্ড চ্যাম্পিয়ন চার্লি ভার্কো। তিনি জানান, সাঁতারুদের কাছাকাছি তিন থেকে চার মিটার লম্বা একটি হাঙর ঘোরাফেরা করতে দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে লাইফগার্ডদের সতর্ক করেন এবং আহত নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসতে সহায়তা করেন।
তবে নিরাপত্তা জোরদারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কুগি সৈকতের ভৌগোলিক অবস্থান। সৈকতটি সিডনির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ চলাচলের পথের নিচে অবস্থিত। ফলে বিমান চলাচলের নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় সাধারণ ও বাণিজ্যিক ড্রোন ওড়ানোর ওপর কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে।
এ অবস্থায় দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ড্রোন ব্যবহারের বর্তমান নিয়মকানুন পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে। বিশেষ করে লাইফগার্ড ও উদ্ধারকর্মীরা যাতে দ্রুত হাঙর শনাক্ত করতে এবং সমুদ্রে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, সে জন্য বিশেষ অনুমতির ব্যবস্থা করা হতে পারে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের কৃষিমন্ত্রী টারা মোরিয়ার্টি বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সিডনির উপকূলীয় এলাকায় হাঙরের উপস্থিতি ও হামলার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাঁতারুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রসৈকতে ড্রোন নজরদারি বাড়ানো গেলে হাঙরের গতিবিধি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে সম্ভাব্য হামলার আগেই সৈকত খালি করা, সতর্কতা জারি করা এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করা সহজ হবে। ফলে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় সৈকতগুলোতে পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au