রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ২ আগস্ট: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসায় মৃত এক শিক্ষকের এমপিও ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী মো. মহিউদ্দিন-এর দিকে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৯৯৪ সালের ১৩ মার্চ জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান মৃত মো. মহিউদ্দিন। পরে তার মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়ে যায়। এরপর ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর একই নামে মো. মহিউদ্দিন, যিনি তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী, ওই মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরও প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করে ২০০৬ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মৃত শিক্ষকের এমপিও ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৬ সালের জুন মাসের এমপিও তালিকায় মৃত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনের ব্যাংক হিসাব নম্বর ব্যবহার করে বেতন-ভাতা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা পুরো বিষয়টিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
তবে অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, হিসাব নম্বর এক হলেও ওই হিসাব থেকে কোনো বেতন তোলা হয়নি এবং নিয়োগের সময় কোনো তথ্য গোপন করা হয়নি।
এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au