মতামত

ড. মঞ্জুরে খোদার মতামত

সেনাপ্রধান কি রাষ্ট্রের ধর্মশিক্ষা নির্ধারণ করতে পারেন? বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কি বলে?

  • 2:14 pm - August 09, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৮ বার
৩ আগস্ট জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা ও সমাজে প্রচলিত ধর্মচর্চা নিয়ে তাঁর বক্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও জাতীয় নৈতিকতা নির্ধারণে সামরিক নেতৃত্বের ভূমিকার সীমা কোথায়? ছবি: সংগৃহীত।
মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ৩ আগস্ট রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন এবং একই অনুষ্ঠানে ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোরে আরও সাতটি শাখা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি আধুনিক শিক্ষা ও ইসলামি মূল্যবোধের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং সমাজে প্রচলিত ধর্মচর্চার একাংশকে ‘বিদআত’ আখ্যা দিয়ে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোড় দেন। এই বক্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে— একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ ব্যক্তি কি জাতীয় চরিত্র, নৈতিকতা বা ধর্মীয় ব্যাখ্যা নির্ধারণের ভূমিকা নিতে পারেন? এক্ষেত্রে সামরিক-বেসমারিক সম্পর্কের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার একটি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ রাখছি।
পেশাদারিত্ব ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা
আধুনিক বেসামরিক-সামরিক সম্পর্কের তত্ত্বের ভিত্তি রচনা করেন স্যামুয়েল হান্টিংটন তাঁর দ্য সোলজার অ্যান্ড দ্য স্টেট গ্রন্থে। তাঁর মতে, একটি পেশাদার সেনাবাহিনীর তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য থাকে— দক্ষতা (expertise), দায়বদ্ধতা (corporateness) এবং দায়িত্ব (responsibility)। এই দায়িত্ববোধের একটি কেন্দ্রীয় শর্ত হলো রাজনৈতিক ও আদর্শিক নিরপেক্ষতা। হান্টিংটনের ‘অবজেক্টিভ সিভিলিয়ান কন্ট্রোল’ তত্ত্ব অনুযায়ী, সেনাবাহিনীকে যত বেশি পেশাদারিকৃত করা যায়, ততই তারা রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব বা জাতীয় সংস্কৃতি নির্ধারণের ক্ষেত্র থেকে দূরে থেকে কেবল সামরিক দক্ষতার পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকে।
পরবর্তীকালে পিটার ফিভার তাঁর এজেন্সি তত্ত্বে সেনাবাহিনীকে বেসামরিক কর্তৃপক্ষের ‘এজেন্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেন, যার কাজ হলো নির্দিষ্ট আদেশ পালন করা। এজেন্ট যখন নিজের মতাদর্শগত লক্ষ্য অনুযায়ী নীতিনির্ধারণী পরিসরে প্রবেশ করে, তখন তা ‘শার্কিং’ বা দায়িত্ব থেকে বিচ্যুতি হিসেবে গণ্য হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি, ধর্মীয় ব্যাখ্যা বা নৈতিক আদর্শ নির্ধারণ কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচিত সরকার, সংসদ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়— সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে এটি সেনাবাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ নয়।
বেসামরিক-সামরিক সম্পর্ক তত্ত্বের সাধারণ নীতি অনুযায়ী, “একটি পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীর মূল পরিচয় এই নয় যে তারা কী বিশ্বাস করে, বরং এই যে তারা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক আদেশের অধীনে থেকে নিজের আদর্শিক অবস্থান প্রকাশ থেকে বিরত থাকে।”

তুলনামূলক অভিজ্ঞতা: সামরিক প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয়-আদর্শিক ভূমিকা

পাকিস্তান: জিয়াউল হকের ইসলামীকরণ ও তার পরিণতি
১৯৭৭ সালে ক্ষমতা দখলের পর জেনারেল জিয়াউল হক পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক ইসলামীকরণ কর্মসূচি চালু করেন। বাহিনীর দাপ্তরিক নীতিবাক্য পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়ায় ‘ইমান, তাকওয়া, জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ’। সামরিক পদোন্নতি ও প্রশিক্ষণে ধর্মীয় অনুশাসন গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হয়ে ওঠে এবং আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থা মাদ্রাসাভিত্তিক জিহাদি নেটওয়ার্কের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি ছিল সুদূরপ্রসারী— সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিস্তার, বাহিনীর অভ্যন্তরে মতাদর্শিক বিভাজন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনীর পেশাদার সুনামের ক্ষতি। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা এই সতর্কবার্তা দেয় যে, সামরিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নির্দিষ্ট ধর্মীয় ব্যাখ্যা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রোথিত হলে তা দীর্ঘমেয়াদে বাহিনীর পেশাদার সংহতি ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তুরস্ক: বিপরীত দিকের একই সমস্যা
তুরস্কের অভিজ্ঞতা উল্টো দিক থেকে একই কাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে। কামালবাদী তুর্কি সেনাবাহিনী নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ধর্মনিরপেক্ষতার ‘অভিভাবক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল এবং এই যুক্তিতে ১৯৬০, ১৯৭১, ১৯৮০ ও ১৯৯৭ সালে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে। উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও— ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষা বনাম ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠা— কাঠামোগতভাবে উভয় ক্ষেত্রেই সেনাবাহিনী নিজেকে জাতীয় আদর্শ ও চরিত্র নির্ধারণের কর্তা হিসেবে জাহির করেছে, যা নির্বাচিত বেসামরিক কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারকে সংকুচিত করেছে। এই ‘অভিভাবকত্বমূলক’ (guardianship) ভূমিকাই পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা পর্যন্ত দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অন্যতম মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
ইন্দোনেশিয়া: দ্বিফাংসি নীতির ব্যর্থতা
সুহার্তোর শাসনামলে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী ‘দ্বিফাংসি’ বা দ্বৈত-কার্যক্রম নীতির অধীনে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, সামাজিক-রাজনৈতিক ও আদর্শিক ক্ষেত্রেও— বিশেষত রাষ্ট্রীয় পঞ্চশীলা আদর্শের অনুশীলনে— সক্রিয় ভূমিকা পালন করত। ১৯৯৮ সালে সুহার্তোর পতনের পর গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় এই দ্বিফাংসি নীতি বাতিল করাকে সবচেয়ে জরুরি সংস্কারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ বিশ্লেষকদের মতে সেনাবাহিনীর আদর্শ-নির্ধারণী ভূমিকাই বেসামরিক প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বকে দুর্বল রাখার প্রধান কাঠামোগত কারণ ছিল।
ভারত: নিয়ন্ত্রিত বহুত্ববাদী মডেল
ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নির্দিষ্ট রেজিমেন্টের সেনাসদস্যদের নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি পালনের সুযোগ থাকলেও, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বাহিনী কোনো একক জাতীয় ধর্মীয় বা নৈতিক শিক্ষাক্রম নির্ধারণ করে না। ইউনিট পর্যায়ে ধর্মীয় বহুত্ববাদ বজায় রাখা এবং জাতীয় নীতিনির্ধারণে ধর্মীয় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা— এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজনরেখা ভারতীয় মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ থেকেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স: প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতার মানদণ্ড
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নির্দেশনায় সামরিক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মচর্চার অধিকার সুরক্ষিত হলেও, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় মতাদর্শ প্রচার বা শিক্ষাক্রম নির্ধারণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বিভিন্ন ধর্মের চ্যাপলেইনদের মাধ্যমে বহুত্ববাদী কাঠামোয় ধর্মীয় চাহিদা পূরণ করা হয়, কোনো একক ব্যাখ্যা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরোপ করা হয় না। ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় ‘লাইসিতে’ বা কঠোর ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির অধীনে সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য জনপরিসরে ধর্মীয়-আদর্শিক অবস্থান প্রকাশে বিশেষ সংযমের বাধ্যবাধকতা (দভোয়া দ্য রেজের্ভ) রয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই মূলনীতি অভিন্ন— রাষ্ট্রীয় শক্তি-প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনী জাতীয় ধর্মীয়-নৈতিক বয়ান নির্ধারণের কর্তা নয়।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯৭২ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাকে অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৮৮ সালের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়, আর ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে পুনরায় মূলনীতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়— ফলে রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা একসঙ্গে সংবিধানে সহাবস্থান করছে। এই সাংবিধানিক কাঠামোর মূল বার্তা হলো, রাষ্ট্র কোনো একক ধর্মীয় ব্যাখ্যা নাগরিকদের ওপর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরোপ করবে না এবং সকল ধর্ম ও ধর্মমতের নাগরিক সমান আচরণ পাবে। এই নীতিগত কাঠামোর আলোকে বিচার করলে, রাষ্ট্রের একটি শক্তি-প্রয়োগকারী ও সাংবিধানিকভাবে রাজনৈতিক-আদর্শিক প্রশ্নে নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কর্তার পক্ষে কোন ধর্মচর্চা ‘বিদআত’ আর কোনটি ‘শুদ্ধ’— এই বিভাজন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা সাংবিধানিক নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মূল সমস্যা: এখতিয়ার অতিক্রম ও প্রেটোরিয়ানিজমের ঝুঁকি
তুলনামূলক অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্ট, সেনাবাহিনী যখন নিজেকে জাতীয় নৈতিকতা বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার অভিভাবক হিসেবে উপস্থাপন করে, তখন তা রাজনীতিবিজ্ঞানে ‘প্রেটোরিয়ানিজম’ নামে পরিচিত প্রবণতার একটি রূপ— অর্থাৎ সামরিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সাংবিধানিক এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রের আদর্শিক দিকনির্দেশনায় হস্তক্ষেপ। এর ঝুঁকি তিনটি স্তরে বিবেচনা করা যায়। প্রথমত, বহুত্ববাদী সমাজে কোন ধর্মচর্চা ‘গ্রহণযোগ্য’ আর কোনটি নয়— এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রের কোনো শক্তি-প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নিলে তা এক পক্ষকে অন্য পক্ষের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক প্রাধান্য দেয়, যা নাগরিক সাম্যের নীতির পরিপন্থী। দ্বিতীয়ত, এই ধরনের বক্তব্য বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক পেশাদারিত্ব ও আন্তর্জাতিক সুনামের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে, যেখানে ধর্মীয়-রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার একটি পূর্বশর্ত। তৃতীয়ত, পাকিস্তান ও তুরস্কের অভিজ্ঞতা দেখায় যে সেনাবাহিনীর আদর্শিক ভূমিকা একবার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিলে তা প্রত্যাহার করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও বেসামরিক কর্তৃত্বের জন্য কাঠামোগত হুমকি তৈরি করে।
তুলনামূলক রাজনীতি ও বেসামরিক-সামরিক সম্পর্কের তত্ত্ব উভয় দিক থেকেই একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ উপসংহারে উপনীত হওয়া যায়— একটি উদার গণতান্ত্রিক ও বহুত্ববাদী রাষ্ট্রে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা করা, জাতীয় ধর্মীয় বা নৈতিক দর্শন নির্ধারণ করা নয়। শিক্ষা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও নৈতিক আদর্শের প্রশ্ন নির্বাচিত সরকার, সংসদ ও সংশ্লিষ্ট বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়, যা জনসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক জবাবদিহিতার আওতায় পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে যে আন্তর্জাতিক সুনাম অর্জন করেছে, তা মূলত রাজনৈতিক-আদর্শিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। তুলনামূলক অভিজ্ঞতা এই সতর্কবার্তা দেয় যে, এই নিরপেক্ষতা থেকে বিচ্যুতি— তা যে উদ্দেশ্যেই হোক না কেন— দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
-ড. মঞ্জুরে খোদা, লেখক-গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

এই শাখার আরও খবর

মোদির সঙ্গে ফোনে কথা জেডি ভ্যান্সের, গভীর হচ্ছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারের এই ফোনালাপে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর…

সিডনির পর এবার মেলবোর্ন মাতালেন রুনা লায়লা

মেলবোর্ন, ৯ আগস্ট: সিডনিতে প্রবাসী বাঙালিদের মুগ্ধ করার পর এবার মেলবোর্ন মাতালেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চে…

২০২৫-২৬ অর্থবছর: সরকারের ঋণ সর্বোচ্চ, বেসরকারি সর্বনিম্ন

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: দেশের ব্যাংকিং খাতে বিপরীতমুখী একটি চিত্র দেখা দিয়েছে। একদিকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া পৌঁছেছে রেকর্ড উচ্চতায়, অন্যদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের…

নীট আন্দোলনে জেন-জিকে ভুল পথে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল: ধর্মেন্দ্র প্রধান

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ভারতের নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় জেন-জি প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কিছু মানুষ ‘ভুল পথে পরিচালিত’ করার চেষ্টা করেছিল…

শেখ হাসিনা ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন কি বাড়ছে?

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু…

কানাডা থেকে ছয় মাসেই ৩ হাজার ৩২৩ ভারতীয় বহিষ্কার

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই কানাডা থেকে ৩ হাজার ৩২৩ জন ভারতীয় নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। কানাডার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ২০২৫…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au