বাংলাদেশ

‘মার্কিন সেফ হাউজে সমন্বয়কদের মগজধোলাই হয়েছে’, কী বলতে চেয়েছেন ফরহাদ মজহার

  • 4:26 pm - August 09, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২১ বার
ফরহাদ মজহার।

মেলবোর্ন, ৯ আগস্ট:  জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিদেশি দূতাবাসের আশ্রয় দেওয়া এবং সেখানে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লেখক, কলামিস্ট ও সমাজচিন্তক ফরহাদ মজহার দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের দূতাবাস আন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ‘সেফ হাউজ’ পরিচালনা করেছিল। এসব জায়গায় থাকা কয়েকজন সমন্বয়ককে শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি জানাতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি অনলাইন গণমাধ্যম ‘আলাপ’-এর একটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফরহাদ মজহার জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব দাবি করেন। তার বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর আন্দোলনের সময় বিদেশি দূতাবাসগুলোর ভূমিকা, সমন্বয়কদের নিরাপত্তা এবং সরকার পরিবর্তনের পেছনে বিদেশি কোনো পক্ষের ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফরহাদ মজহার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিছু ‘সেফ হাউজ’ তৈরি করেছিল এবং সেখানে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। তার দাবি, এসব স্থানে থাকা অবস্থায় তাদের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি তোলার জন্য বলা হয়েছিল।

পডকাস্টে তিনি বলেন, যারা ওই সেফ হাউজে ছিলেন, তাদের কয়েকজন তাকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের বলা হয়েছিল, তারা যেন শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি জানায়। এ সময় উপস্থাপক সরাসরি জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে।’

ফরহাদ মজহার এক পডকাস্টে ভয়ানক সব তথ্য দিয়েছেন। এসবের কিছু কিছু আমরা জানতাম, কিন্তু এতটা ডিটেইলে নয়।

তিনি বলেছেন, ‘এটাকে ছাত্র আন্দোলন কখনো বলে না। যখন নাহিদের সঙ্গে দুই তারিখ রাতে আমার দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে, তখন তারা বলছে, আন্দোলনে কম্প্রোমাইজ করতে হবে। ইতোমধ্যে তারা সেইফ হাউজে আছে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ও দূবাতাসগুলো সেই সেইফ হাইজগুলো তৈরি করেছে। সেইফ হাউজে মগজ ধোলাই হয়েছে। সেইফ হাউজ থেকে ওরা আমাকে ফোন করে জানাচ্ছে যে, তাদের উপর চাপ দিচ্ছে, আমরা যেনো পদত্যাগের কথা বলি। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে এবং যা ব্যবস্থা আছে, সব টিকে থাকবে।”

এরপর তিনি বলছেন, “এই সেইফ হাউজ থেকেই মার্কিন যুক্তরাস্ট্র চেয়েছিল তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরে যাবে, কিন্তু ব্যবস্থা টিকে থাকবে। তরুণ ছাত্ররা বাঁচবার জন্য, তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনারা তাদেরকে বিভিন্ন সেইফ হাউজে রেখেছেন, প্রতিদিন তাদেরকে হাসিনার পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছেন। নাহিদ অসুস্থ হয়ে যখন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি, তখন তাকে সেইফ হাউজে নেবার জন্যে আমেরিকার দূতাবাসের গাড়ি চব্বিশ ঘণ্টা নিচে দাঁড়িয়ে থাকতো। অভ্যুত্থানের অন্তরালে এসব কাজগুলো চলেছে।”

তার মতে, ”… এই আন্দোলনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের সম্পৃক্ততা প্রথম থেকেই ছিল। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র শেখ হাসিনাকে চায় নাই।…আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, সরকার বদল মার্কিন যুক্তরাস্ট্রই করে দেবে। এটার জন্য আমাদের এত পরিশ্রমের দরকার নাই।”

দেখেন এটা আমরা জানি যে, যে সকল ছাত্ররা ২৪ এর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে, সারজিস ও হাসনাত ছাড়া, বাকিদের তাত্ত্বিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার স্টাডি সার্কেলে এদের গ্রুমিং হয়েছে। এমনকি অভ্যুত্থানের পরেও, সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় ফরহাদ মজহারের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার স্ত্রী সেই সরকারে উপদেষ্টা পদেও ছিলেন।

ফলে ফরহাদ মজহারের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হাঁড়ির খবর জানেন। তাছাড়া এই বক্তব্যকে ডিকোড করারও প্রয়োজন নেই। একেবারে পরিস্কার বক্তব্য।

জাস্ট এটা ভাবুন, ২৪ এর আন্দোলন মোটেও কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, এটি মার্কিন সরকারের অর্থায়নে ও পরিকল্পনায় প্রযোজিত এমন এক ড্রামা, যেখানে এদেশের লাখ লাখ তরুণ, স্বপ্নকামী মানুষ এক্সট্রার ভূমিকা পালন করেছে। এই যে রাস্তায় তরুণদের মিছিল, দেয়ালে গ্রাফিতি, সেখানে লেখা পরিবর্তনের স্বপ্ন, প্রাণ বিসর্জন দেয়া- সব মিথ্যে।

মানুষ যদি জানতো, তাহলে কি তারা আমেরিকার বুদ্ধিতে রাস্তায় নামতো? তার মানে এটি স্পষ্ট প্রতারণা।

তার বক্তব্য থেকে একটা বিষয় এখন পরিস্কার যে, সে সময় বিপুল হতাহতের পেছনে সরকার এককভাবে দায়ী নয়। এখানে নানাপক্ষ জড়িত ছিল, যেমনটা ছিল ইরানে। ইরানের আন্দোলনে মোসাদ যে বহু মানুষকে হত্যা করেছে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে সেসব উঠে এসেছে। উদ্দেশ্য হল, পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলা। সে কারণেই কি জুলাই-আগস্টে নিহত একটা হত্যারও তদন্ত হয়নি? খুঁজে বের করা হয়নি যে, কে কার গুলিতে নিহত হয়েছে? উপদেষ্টা সাখাওয়াতকে সরিয়ে দেওয়ার কারণও তাহলে এই? আমেরিকার চাপে?

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, আমেরিকা এই কাজটা কেনো করেছে?

ভুল করেও বলবেন না যে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য। কারণ পৃথিবীর যত জায়গায় সরকার পরিবর্তনে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করেছে, কোথাও সেটা গণতন্ত্রের জন্য করেনি। করেছে তার স্বার্থের জন্যভ পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকার প্রধান ইমরান খান বহু বছর ধরে জেলে। আাফগানিস্তানকে শেষ করে দিয়েছে।

ভেনিজুয়েলার প্রধানমন্ত্রী স্ত্রীসহ নিউইয়র্কের জেলে, এখন প্রতিদিন ভেনিজুয়েলা থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৭৯ লাখ লিটার তেল আমেরিকা সরিয়ে নিচ্ছে। নানা রকমরে অবরোধ আরোপ করে কিউবাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনকে শেষ করেছে ইসরায়েলের জন্য। মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে ওখানকার তেল ও ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য। আর কত দেশের কথা বলবো? এসবের কোনটায় গণতন্ত্র এসেছে? সর্বত্র দীর্ঘ মেয়াদে অশান্তি। ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলে শুধু ইরান বেঁচে গেছে।

তো শেখ হাসিনাকে কেনো সরাতে হল? সে কেনো পথের কাঁটা? দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার আধিপত্য, বাংলাদেশের ২৫ কোটি মানুষের বাজারে ঢুকা, ঔষধ থেকে জ্বালানি, পাকিস্তান ও সৌদির সাথে যৌথ বলয়ে ঢুকতে অস্বীকৃতি, বঙ্গোপসাগরে দখলদারিত্ব- তার মানে শেখ হাসিনা যা যা বলতেন সেসবই কি কারণ? বাংলাদেশকে প্রায় বিক্রি করে দেয়া বাণিজ্য চুক্তি যে করতে চায়নি শেখ হাসিনার সরকার, ওটাই কি অন্যতম বড় কারণ?

তার মানে, বাংলাদেশ যে দীর্ঘ মেয়াদী অস্থিতিশীলতায় জড়িয়ে পড়েছে, তার আশু সমাধান হচ্ছে না।

তারচেয়ে বড় কথা, ইউনূস গংদের চেয়েও আমেরিকাকে আরও বড় কোনো কিছু দেওয়ার বিনিময়ে যদি এখন শেখ হাসিনা ফিরে আসেন, তাহলে কি তাকে খুব বেশি দোষারোপ করা যাবে? বাংলাদেশ তাহলে এখন বিক্রির জন্য উন্মুক্ত?

ফরহাদ মজহারের এই বক্তব্যের পর, ২৪ এর আন্দোলনকে আর কোনোভাবেই বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান বলার সুযোগ নাই।

কি নামে ডাকবো, সেটাও তাহলে তারাই ঠিক করে দিক। আমাদের বলার মত আর কোনো ভাষা অবশিষ্ট নাই।

তবে পরবর্তী সময়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ফরহাদ মজহার কিছুটা ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমন্বয়কদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি তিনি সত্য বলে মনে করেন। কিন্তু তাদের শেখ হাসিনার পদত্যাগের কথা ‘শিখিয়ে দেওয়া’ হয়েছে, এমন বক্তব্য তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, তিনি সবসময় একই ধরনের কথা বলে আসছেন এবং বাংলাদেশে কোনোভাবেই আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হোক, তা তিনি চান না।

ফরহাদ মজহারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী রেজাউর রহমান লেনিন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় নাহিদ ইসলামসহ সমন্বয়কদের মধ্যে কয়েকজন নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং নিরাপত্তা চাওয়া তাদের অধিকার ছিল।

রেজাউর রহমান লেনিনের দাবি, সে সময় বিভিন্নভাবে সমন্বয়কদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলেও মার্কিন দূতাবাস থেকে এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সমন্বয়কদের কোনো সেফ হাউজে রাখেনি। বরং কয়েকজন সমন্বয়ক সাধারণ মানুষের বাড়িতে অবস্থান করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের পক্ষ থেকে চার সমন্বয়কসহ আরও কয়েকজনকে সহযোগিতা করা হয়েছিল। তার মতে, মার্কিন দূতাবাস সমন্বয়কদের সরকার পতনের দাবি শিখিয়ে দিয়েছিল, এমন বক্তব্যে তথ্যগত অসঙ্গতি রয়েছে।

‘বার্গেনিং’ হয়েছিল বলে দাবি

রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য বাকী বিল্লাহও ফরহাদ মজহারের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, বিভিন্ন সময়ে ফরহাদ মজহার ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন এবং তার অনেক বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব তথ্যের মিল নেই।

তবে বাকী বিল্লাহ মনে করেন, বিদেশি পক্ষগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের ‘বার্গেনিং’ বা দর-কষাকষি হয়ে থাকতে পারে। তবে মার্কিন দূতাবাস সরাসরি সমন্বয়কদের সরকার পতনের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিল, এমন তথ্য তার জানা নেই।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বামপন্থিরা মার্কিন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাজ করেছিল, এমন দাবিরও কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, ফরহাদ মজহারের ঘনিষ্ঠ এক মানবাধিকারকর্মীর মতে, ফরহাদ মজহার জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের পক্ষে ছিলেন। তবে তার লক্ষ্য কোনো সরকারকে শুধু ক্ষমতাচ্যুত করে দেওয়া ছিল না।

ওই ব্যক্তির দাবি, ফরহাদ মজহার শেখ হাসিনাকে আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবেছিলেন। তার মতে, বাংলাদেশের বামপন্থিদের একটি অংশ জেনে বা না জেনে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘রেজিম পরিবর্তন’ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ফরহাদ মজহার মনে করেন।

নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ফরহাদ মজহার

নিজের মন্তব্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের বিষয়ে ফরহাদ মজহার বলেন, তিনি সবসময় একই ধরনের অবস্থান নিয়ে কথা বলেছেন। তার দাবি, শেখ হাসিনা অতীতে তার সরকারের বিভিন্ন বিষয়ে সতর্ক হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

মার্কিন সেফ হাউজে আন্দোলনের সমন্বয়কদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি তিনি আবারও সত্য বলে দাবি করেন। তবে তাদের শেখ হাসিনার পদত্যাগের কথা শেখানো হয়েছিল, এমন বক্তব্য তিনি অস্বীকার করেন।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমরা কেউ আর ফ্যাসিবাদের উত্থান চাই না।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যম অপ্রয়োজনীয়ভাবে তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি করছে। নিজের অবস্থানকে তিনি সঠিক বলেও দাবি করেন।

ফরহাদ মজহারের বক্তব্যের পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েছে। ফলে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় বিদেশি দূতাবাসগুলোর প্রকৃত ভূমিকা এবং সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দেওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে তার করা দাবিগুলো এখনো বিতর্কের মধ্যেই রয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

মোদির সঙ্গে ফোনে কথা জেডি ভ্যান্সের, গভীর হচ্ছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারের এই ফোনালাপে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর…

সিডনির পর এবার মেলবোর্ন মাতালেন রুনা লায়লা

মেলবোর্ন, ৯ আগস্ট: সিডনিতে প্রবাসী বাঙালিদের মুগ্ধ করার পর এবার মেলবোর্ন মাতালেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চে…

২০২৫-২৬ অর্থবছর: সরকারের ঋণ সর্বোচ্চ, বেসরকারি সর্বনিম্ন

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: দেশের ব্যাংকিং খাতে বিপরীতমুখী একটি চিত্র দেখা দিয়েছে। একদিকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া পৌঁছেছে রেকর্ড উচ্চতায়, অন্যদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের…

সেনাপ্রধান কি রাষ্ট্রের ধর্মশিক্ষা নির্ধারণ করতে পারেন? বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কি বলে?

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ৩ আগস্ট রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন এবং একই অনুষ্ঠানে ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল,…

নীট আন্দোলনে জেন-জিকে ভুল পথে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল: ধর্মেন্দ্র প্রধান

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ভারতের নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় জেন-জি প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কিছু মানুষ ‘ভুল পথে পরিচালিত’ করার চেষ্টা করেছিল…

শেখ হাসিনা ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন কি বাড়ছে?

মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au