কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগে আগ্রহী গুগল, মেটা ও টিকটক
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্ট: গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি কোম্পানির প্রস্তাবিত এআই ডেটা সেন্টার প্রকল্পে গুগল, মেটা ও টিকটক সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের…
মেলবোর্ন,১০ আগষ্ট: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এ ক্ষেত্রে আগের মতো স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে।
গত ৩ আগস্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে অনুসরণীয় পদ্ধতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই মূলত এ প্রস্তাব সামনে এসেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনটিআরসিএর কার্যক্রমের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ নেই। প্রতিষ্ঠানটির মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া এবং উত্তীর্ণদের নিবন্ধন সনদ দেওয়া। ফলে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা নিয়ে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
সভায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান ব্যবস্থায় এনটিআরসিএর সুপারিশের মাধ্যমে অনেক শিক্ষককে নিজ বাড়ি বা নিজ জেলা থেকে অনেক দূরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে শিক্ষকরা নিজেদের এলাকার বাইরে চাকরি করতে বাধ্য হন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
এক কর্মকর্তা বলেন, এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। তবে সেসব পদে আবেদনকারীদের এনটিআরসিএর নিবন্ধন সনদ অর্জন করতে হতো। কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষকরা নিজ জেলা বা উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ বেশি পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে আরও যাচাই-বাছাই এবং বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, যোগ্যতা যাচাই এবং শিক্ষক নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ তৈরি হবে কি না, সেসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। যেটিকে ভালো ও উপযোগী বলে বিবেচনা করা হয়, সরকার শেষ পর্যন্ত সেটিই সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করে। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন প্রস্তাব ও আলোচনা রয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে।
ফলে আপাতত এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বর্তমান ব্যবস্থা বহাল থাকছে। ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে কি না, সে বিষয়ে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au