পুলিশের গুলিতে নিহত ইসরাইলি সেনা
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর নেতানিয়ায় পুলিশের গুলিতে এক ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শহরের কিরিয়াত হাশারোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে…
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট: জাপানের রাজধানী টোকিও ও আশপাশের এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে বন্যা, ভূমিধস ও যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দেশটির চিবা, ইবারাকি ও তোচিগি প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে বন্যা ও সড়ক-রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। বিমানবন্দর ও এর আশপাশের যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে টোকিওর পার্শ্ববর্তী চিবা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। অতিবৃষ্টির কারণে নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে যায় এবং বিভিন্ন সড়ক ও রেললাইন ডুবে যায়। ফলে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
চিবা প্রদেশের কয়েকটি এলাকায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেখানে ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা চিবা অঞ্চলের জন্য ভারী বৃষ্টির সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছেন। জাপানে ওই অঞ্চলের জন্য এ ধরনের সর্বোচ্চ সতর্কতা এই প্রথম জারি করা হয়েছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে। জাপানের টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চিবা, ইবারাকি ও তোচিগি প্রদেশের প্রায় ২৭ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
দুর্যোগের কারণে এসব অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে রেল যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় কর্মস্থল ও গন্তব্যে পৌঁছাতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
বিশেষ করে নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। সড়ক ও রেল যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটায় বিমানবন্দরে পৌঁছানো এবং সেখান থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় সাত হাজার যাত্রী সেখানে আটকা পড়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকা, নদীর তীর এবং ভূমিধসপ্রবণ অঞ্চল থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au