কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন, কী জানা যাচ্ছে?
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে কোমায় আছেন বলে কিছু…
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে ঢাকা। বাংলাদেশের এমন অবস্থান নিয়ে ভারত বলেছে, জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে এমন সব বিষয়ের ওপর তারা সার্বক্ষণিক নজর রাখে।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগ দেওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কাছে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা।
এক সাংবাদিক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সংসদে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়টি তাঁর দৃষ্টিতে আনেন। জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সব বিষয়ের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখি।’
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সংসদে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশকে এই প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে ঢাকা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখবে।
একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও। তিনি বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলে তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবিও কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি জানান, বাংলাদেশ যদি চুক্তিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বা আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে এ বিষয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
তাহির আন্দ্রাবি বলেন, ‘এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো। এর লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।’
তিনি আরও বলেন, একটি ক্রমবিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে চুক্তিটিতে এমন দেশগুলো যোগ দিতে পারবে, যারা যৌথ দায়িত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে একই ধরনের অঙ্গীকারে বিশ্বাসী।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কোনো দেশ এতে যুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
তবে পাকিস্তানের এই মুখপাত্র স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, চুক্তিটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে রংপুরে এক শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার ঘটনা নিয়েও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা।
জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকারের।
ভারতের এই বক্তব্যও এমন সময়ে এল, যখন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে দেশটির পক্ষ থেকে নিয়মিত উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
সূত্র- এমটিআই
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au