রামু হামলার ১৪ বছর, বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে ভয়াবহ হামলার ১৪ বছর পূর্ণ হলেও এখনো শেষ হয়নি বিচারপ্রক্রিয়া। দীর্ঘ সময়েও মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা…
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাওয়া ৮১৭ জন প্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি। তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। এমনকি কেউ কেউ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহানির কথা বলেছেন এবং বিষয়টি পরিবারকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, কিছু গণমাধ্যমে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে, যা প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অস্থিরতা তৈরি করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে রয়েছে, সেটি যাচাই না করেই কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার প্রার্থী অংশ নেন। পরে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের চূড়ান্ত আবেদন নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ডিপিও) মাধ্যমে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। কারও কারও প্রয়োজনীয় তথ্য বা যাচাই প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। এসব তথ্য হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে।
মিলন বলেন, বর্তমানে ৮১৭ জন প্রার্থীর বিষয় যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। তাদের ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে সেগুলো যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, এমন প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছে, যাতে মনে হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে বা তাদের নিয়োগ হবে না। অথচ বাস্তবে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য বা যাচাই প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, যেসব প্রার্থীর নিয়োগপত্র এখনো দেওয়া হয়নি, তাদের বিষয়গুলো আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর যাচাই শেষে ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৮১৭ জনের বিষয় যাচাইাধীন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের কতজনের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাকি থাকবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য ও যাচাই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর নিয়োগপত্র ও পদায়নের দাবিতে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একাংশ আন্দোলনও করেন। বর্তমানে তাদের নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও নথি যাচাই করে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী প্রার্থীদের ১ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au