বাংলাদেশ

উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদের যে অংশ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা, এর ইতিহাস কী?

  • 2:59 am - October 01, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১১২ বার
শাহী মসজিদের একটি অংশ অপসারণকে ঘিরে সংঘর্ষের পর এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছিল। ছবিঃ এএনআই

ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজকে কেন্দ্র করে একটি পুরোনো মসজিদের অংশ সরানো নিয়ে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর ছত্রি চক এলাকায় অবস্থিত শাহী মসজিদের একটি অংশ সরানোর উদ্যোগকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। পরে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তবে বিরোধটি পুরো মসজিদ ভেঙে ফেলা নিয়ে নয়। রাস্তা ১৫ মিটার প্রশস্ত করার জন্য নির্ধারিত অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে মসজিদের যে অংশ পড়েছে, সেটুকু সরানো নিয়েই মূল বিরোধ তৈরি হয়।

রোববার গভীর রাতে প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির মধ্যে বৈঠকের পর মসজিদ কর্তৃপক্ষ নিজেদের উদ্যোগে ওই অংশ সরিয়ে নিতে সম্মত হয়। কিন্তু সোমবার সকালে মসজিদের আশপাশে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে।

ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, যে শাহী মসজিদের একটি অংশ রাস্তা সম্প্রসারণের আওতায় এসেছে, সেটি কত পুরোনো? কে এটি নির্মাণ করেছিলেন? মসজিদটির ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক নথিতে কী তথ্য রয়েছে?

বিভিন্ন পুরোনো নথি ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের আদালতে দাখিল করা কাগজপত্রে এই মসজিদের দীর্ঘ ইতিহাসের তথ্য পাওয়া যায়।

১৩৯০ সালে নির্মাণের দাবি

মসজিদের ইতিহাস সংক্রান্ত ওয়াকফ বোর্ডের একটি নথিতে এর নির্মাণসাল ১৩৯০ উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে মসজিদটির নাম ‘শাহী মসজিদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের সহযোগিতা ও অনুদানের মাধ্যমে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই সালকে ভিত্তি ধরলে মসজিদটির ইতিহাস প্রায় ৬৩৬ বছরের পুরোনো।

তবে নির্মাণসালের এই তথ্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে আদালতে দাখিল করা নথিতে ১৯২৫ সালের একটি দলিলও রয়েছে, যেখানে ওই সময় মসজিদটির অস্তিত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়।

ইন্দোরের ইতিহাসবিদ ও সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞ জাফর আনসারির মতে, শাহী মসজিদটি মুঘল আমলের আগের মালওয়া অঞ্চলের সুলতানশাহী আমলের স্থাপনা।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, উজ্জয়িনী ও মধ্য ভারতের পুরোনো ঐতিহাসিক নথি এবং আশপাশের অন্যান্য স্থাপনার স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে তুলনা করলে মসজিদটির স্থাপত্য মুঘল-পূর্ব সময়ের বলে ধারণা পাওয়া যায়। মধ্যপ্রদেশের মান্ডু ও চান্দেরি অঞ্চলের কিছু পুরোনো স্থাপনাতেও একই ধরনের স্থাপত্যশৈলী দেখা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

১৯২৫ সালের নথিতে রাস্তা ও জমি অধিগ্রহণের প্রসঙ্গ

শাহী মসজিদের ইতিহাসে ১৯২৫ সালের একটি নথি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদ কর্তৃপক্ষের আদালতে দাখিল করা ওই নথিতে তৎকালীন গোয়ালিয়র স্টেটের টাউন ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের একটি চিঠির উল্লেখ রয়েছে।

সেখানে মসজিদটিকে ‘মোচিয়ান কি মসজিদ’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। একই চিঠিতে চক ও রাস্তা সংস্কারের জন্য মসজিদের সঙ্গে সংলগ্ন কিছু জমি অধিগ্রহণের কথা বলা হয়েছিল।

তবে নথিতে বলা হয়েছিল, মূল মসজিদ বাদ দিয়ে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ‘আরাজি’ বা জমি নেওয়া হবে।

চিঠিটিতে ওই সময় মসজিদের অবস্থা সম্পর্কেও কিছু তথ্য রয়েছে। সেখানে বলা হয়, তখন মসজিদে কোনো মিনার ছিল না। পাশাপাশি প্রবেশদ্বার ও দেয়াল উন্নত করার এবং মিনার নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়।

অর্থাৎ প্রায় এক শতাব্দী আগেও মসজিদটির আশপাশের রাস্তা ও জমি নিয়ে প্রশাসনিক পরিকল্পনা হয়েছিল বলে নথি থেকে জানা যায়।

১৯৪৬ সালের মানচিত্রেও মসজিদের অবস্থান

মসজিদ কর্তৃপক্ষের আদালতে দাখিল করা নথির মধ্যে ১৯৪৬ সালের ৪ মে তারিখের একটি মানচিত্রও রয়েছে।

মসজিদ পক্ষের দাবি, ওই মানচিত্রে তৎকালীন গোয়ালিয়র স্টেটের উজ্জয়িনীর জেলা ও দায়রা বিচারকের সিলমোহর ও স্বাক্ষর রয়েছে। মানচিত্রটিতে শাহী মসজিদের অবস্থানও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।

মসজিদ-সংক্রান্ত অন্যান্য নথিতে এর দক্ষিণ অংশে থাকা দুটি মাজার, প্রধান নামাজের স্থান এবং মসজিদের অন্যান্য অংশের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত

শাহী মসজিদটি ওয়াকফ নথিতে ‘ওয়াকফ মসজিদ পঞ্চ মোচিয়ান (শাহী মসজিদ)’ নামে নিবন্ধিত।

নথি অনুযায়ী, মসজিদটি ওয়াকফ আইন ১৯৫৪-এর আওতায় নিবন্ধিত হয়। পরে ১৯৮৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশ গেজেটে এটিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এ-সংক্রান্ত নথিতে তৎকালীন উজ্জয়িনী জেলার কালেক্টরের তদন্ত ও প্রত্যয়নপত্রের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে মসজিদটি ওয়াকফ আইন ১৯৯৫-এর আওতাতেও নিবন্ধিত হয়।

ওয়াকফ-সংক্রান্ত নথিতে বলা হয়েছে, মসজিদের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার অধিকার ওয়াকফ বোর্ড ও পরিচালনা কমিটির। ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তরের অধিকার কোনো ব্যবস্থাপকের নেই এবং এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াকফ বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত বা অবহিত করতে হবে।

মসজিদের সম্পত্তি-সংক্রান্ত একটি নথিতে এর মোট আয়তন প্রায় ৪ হাজার ৬০০ বর্গফুট উল্লেখ করা হয়েছে। ওই কমপ্লেক্সে ১৯টি দোকান ও দুটি বাড়ির কথাও রয়েছে।

বর্তমান রাস্তা সম্প্রসারণ প্রকল্পে এই কমপ্লেক্সের একটি অংশ প্রস্তাবিত সড়কের মধ্যে পড়েছে।

বিকল্প রাস্তার প্রস্তাব দিয়েছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ

রাস্তা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাছে আপত্তি জানায়। একই সঙ্গে তারা বিকল্প পথের প্রস্তাবও দেয়।

মসজিদ পক্ষের প্রস্তাব ছিল, মসজিদের দক্ষিণ দিকে থাকা একটি বাণিজ্যিক ভবনের দিক দিয়ে রাস্তা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পূর্ব দিকের ফুটপাতকেও রাস্তার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

আপত্তিপত্রে ভারতের সংবিধানের ১৪, ২৫, ২৬ ও ৩০০এ অনুচ্ছেদেরও উল্লেখ করা হয়।

তবে ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট মসজিদ পক্ষের প্রথম আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাস্টার প্ল্যান অনুসরণ করা জরুরি। প্রশাসন নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আপত্তি জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, রাস্তা ১৫ মিটার প্রশস্ত করতে মসজিদের সম্পত্তির একটি ছোট অংশ সরানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল নগর নিগম।

প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, সড়কটি গোপাল মন্দির থেকে মহাকাল মন্দির হয়ে শিপ্রা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত। শাহী সওয়ারি, পেশওয়াই এবং সিংহস্থ কুম্ভের সময় এই পথে বিপুল মানুষের চলাচল হয়। সে কারণে রাস্তা সম্প্রসারণকে প্রয়োজনীয় বলে প্রশাসন ব্যাখ্যা করেছে।

পরে মসজিদ পক্ষ হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চে আপিল করে।

তবে রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রশাসন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। সমঝোতা অনুযায়ী, মসজিদের প্রায় তিন ফুট অংশ সরানোর বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়।

কেন রাস্তা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে?

উজ্জয়িনীতে চলমান রাস্তা সম্প্রসারণের বড় কারণ ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলা।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আয়োজন হিসেবে সিংহস্থ কুম্ভে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। এই আয়োজনকে সামনে রেখে উজ্জয়িনীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও অন্যান্য নির্মাণকাজ চলছে।

এই প্রকল্পের প্রভাব শুধু শাহী মসজিদে পড়েনি। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের পৈতৃক বাড়ির একটি অংশও প্রস্তাবিত রাস্তার মধ্যে পড়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর তিনি নিজে উজ্জয়িনীর আব্দালপুরা এলাকায় নিজের পৈতৃক বাড়ির যে অংশ রাস্তা সম্প্রসারণের আওতায় পড়েছে, সেটি ভাঙার কাজ শুরু করেন। বাড়িটির প্রায় ২ দশমিক ৯০ মিটার অংশ সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

তার বোন কলাবতী যাদবের বাড়িও একই প্রকল্পের আওতায় প্রভাবিত হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য কী?

উজ্জয়িনীর কালেক্টর রোশন সিং বলেছেন, সিংহস্থ ২০২৮-এর প্রস্তুতির জন্য মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী রাস্তা সম্প্রসারণ ও অন্যান্য নির্মাণকাজ চলছে।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ প্রকল্পে সহযোগিতা করছেন এবং অনেকেই নিজেদের বাড়ি বা ধর্মীয় স্থাপনার যে অংশ রাস্তার মধ্যে পড়ছে, তা নিজেরাই সরিয়ে দিচ্ছেন।

শাহী মসজিদের ক্ষেত্রেও মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন স্বেচ্ছায় রাস্তার মধ্যে পড়া অংশ সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি একই সঙ্গে গুজবে কান না দিয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

ধর্মীয় স্থাপনা ও পুরোনো উজ্জয়িনীর সামাজিক ইতিহাস

শাহী মসজিদটি গোপাল মন্দির ও মহাকাল এলাকার কাছাকাছি পুরোনো উজ্জয়িনীর একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। এই এলাকায় ধর্মীয় স্থাপনা, বাজার ও আবাসিক ভবন পাশাপাশি রয়েছে।

উজ্জয়িনীর ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা অধ্যাপক শংকরলাল বরের মতে, শহরটিতে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণেরও উদাহরণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইতিহাসবিদ জাফর আনসারিও উজ্জয়িনীর এই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে, মহাকাল মন্দির ও শাহী মসজিদ-সংলগ্ন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে শহরের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের অংশ।

প্রায় ৭০ বছর ধরে শাহী মসজিদে নামাজ আদায় করা ইমরানের বক্তব্যও এ ক্ষেত্রে ভিন্ন একটি দিক তুলে ধরে। তার মতে, রাস্তা সম্প্রসারণের প্রয়োজন থাকলে মসজিদের কোনো অংশ সেই প্রকল্পের আওতায় পড়ায় স্থানীয় মানুষের আপত্তি থাকা উচিত নয়। কারণ রাস্তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ শুধু মসজিদকে ঘিরে নয়, অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনার কিছু অংশও এর আওতায় আসছে।

ফলে উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদকে ঘিরে বর্তমান বিরোধটি একদিকে কয়েক শতাব্দী পুরোনো একটি ধর্মীয় স্থাপনার ইতিহাস, অন্যদিকে আধুনিক নগর উন্নয়ন ও ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। পুরোনো নথিতে মসজিদটির অস্তিত্ব, ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধন এবং অতীতে রাস্তা ও জমি নিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগের তথ্য পাওয়া গেলেও, বর্তমান বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু মূলত প্রস্তাবিত ১৫ মিটার সড়ক সম্প্রসারণের মধ্যে পড়া মসজিদের একটি অংশ।

সূত্রঃ বিবিসি

এই শাখার আরও খবর

সহ-পাইলটকে কুপিয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের চেষ্টা, ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই বিমানের পাইলট গ্রেপ্তার

দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে দুই পাইলটের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উড়োজাহাজটি জর্ডানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় এক পাইলট তাঁর…

র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশনের ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। একই অবস্থানে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি…

ক্যানবেরায় বাংলাদেশ ও ভারতের হাইকমিশনারদের বৈঠক

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছেন দুই দেশের হাইকমিশনার। ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ায়…

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন…

হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটকে আবারও আগের নামফলক ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলক সরিয়ে সেখানে পুনরায়…

বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের আন্তর্জাতিক সিরিজকে সামনে রেখে ১৪ সদস্যের নারী ক্রিকেট দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় নির্বাচক প্যানেল…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au