খুলনায় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতিকে পেছন থেকে গুলি, অবস্থা সংকটাপন্ন
খুলনার তেরখাদায় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি রামীম বিশ্বাসকে পেছন থেকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে তাঁর পাঁজরে গুলি বিদ্ধ হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ…
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে দুই সপ্তাহের দীর্ঘ সফর শেষে দেশে ফেরার দুই দিন পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কাছের গভীর সমুদ্রে যান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ভারতের সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজের ২১ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এসবি-১৫৭ ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যান সেনাপ্রধান। তাঁর সঙ্গে সেনাবাহিনীর ছয়জন কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন। কক্সবাজারে এক রাত থাকার পর পরদিন সকালে দ্রুতগতির নৌযানে তাঁরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ও তাঁর সফরসঙ্গীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পৌঁছে পরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। তাঁদের এই সফর আগে থেকে প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি। সফরসঙ্গীদের মধ্যে সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মুহাম্মদ এবং সামরিক অভিযান বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনজুর হোসেনও ছিলেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অঘোষিত সফরে গিয়েছিলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সে সময় সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি ছোট নৌযানের ডেকে তাঁর দাঁড়িয়ে থাকার ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সফরে তিনি সেনাবাহিনীর পোশাকের পরিবর্তে টি-শার্ট ও ট্রাউজার পরেছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুনে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে এবারের সফরটি ছিল তাঁর সবচেয়ে দীর্ঘ বিদেশ সফর। রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে টানাপোড়েনের খবরের মধ্যেই তাঁর এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম কয়েকজন মেজর জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন নিয়ে আলোচনায় ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
নর্থইস্ট নিউজের তথ্য অনুযায়ী, গভীর সমুদ্রে যাত্রা শেষে সেনাপ্রধান কক্সবাজারে ফিরে আসেন এবং একই সন্ধ্যায় বিমানে ঢাকায় ফেরেন। তবে তাঁর এই সফর কিংবা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার আয়োজন সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ বা সরকার গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেনাপ্রধান গভীর সমুদ্রে কী ধরনের মাছ ধরেছেন এবং মাছ ধরতে বড়শি, জাল নাকি অন্য কোনো সরঞ্জাম ব্যবহার করেছেন, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। এসব তথ্য ভারতের সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au