শেষ ম্যাচেও বাংলাদেশের একই দল
মেলবোর্ন, ২ মে- বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-এর মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ সামনে রেখে দলে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তৃতীয় ও…
বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন মোহামেডান ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় ও আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত,যিনি দেশের একমাত্র আইসিসি এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার। সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় এক গণমাধ্যমে সৈকত বিসিবির চাকরি ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, সেই সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটে আর আম্পায়ারিং না করার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত
এক ঘটনা,যেখানে তাওহীদ হৃদয় ও মোহামেডান ক্রিকেটাররা মাঠেই আম্পায়ারদের সাথে খারাপ আচরণ করে। পরবর্তীতে হৃদয়কে শাস্তির আওতায় আনা হলেও,এক ম্যাচ বাদেই তা শিথিল করে ফেলে হয়। আর এতেই ক্ষুব্ধ সৈকত।
সুপারলিগের আগে মোহামেডান ও আবাহনীর মধ্যকার এক ম্যাচে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মোহামেডানের ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয়। ওই ম্যাচে এলবিডব্লু না দেওয়ায় মাঠেই আম্পায়ারদের সঙ্গে তর্কে জড়ান হৃদয়, পরে সংবাদমাধ্যমে
করেন বসেন আক্রমণাত্মক মন্তব্য। এর জেরে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট পান তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, হৃদয়ের দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে এক ম্যাচ পরই তিনি সুপার লিগে অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে মাঠে নামেন। বিসিবির আম্পায়ারস বিভাগ নিজ উদ্যোগে হৃদয়ের শাস্তি কমিয়ে আনেন, যা নিয়ম বহির্ভূত।
আম্পায়ারস বিভাগের সিদ্ধান্তে সৈকত অপমানিত বোধ করেন। কারণ, শাস্তি কমানোর এখতিয়ার ছিল টেকনিক্যাল কমিটি বা সিসিডিএমের, যাদের কাছ থেকে কোনো অনুমোদন ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনাকে পেশাদারিত্বের চরম ব্যত্যয় হিসেবে দেখছেন অনেকেই। আম্পায়ার হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সৈকত এ অবস্থাকে আর মেনে নিতে পারছেন না বলেই ঘরোয়া লীগের আম্পায়ারিং থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন।
এর আগেই টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান এনামুল হক। সব মিলিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারদের মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দক্ষ আম্পায়ারদের টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে মোহামেডানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ভিন্ন কথা।
মোহামেডানের কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম টিটু এই বিষয়ে আরও জানান ,নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সুপার লিগে এবার খেলতে বাধা নেই হৃদয়ের। তার ওপর আনা নিষেধাজ্ঞা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। চলতি মৌসুম কিংবা পরের মৌসুমে যে কোনো একটি ম্যাচে সেটা কার্যকর হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছেন মোহামেডানের এই কর্মকর্তা ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au