ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ৬ জুন- ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে জয় পেয়েছে…
পাকিস্তান সুপার লিগে পিএসএলে এবার নিজের উপস্থিতি দারুণভাবে জানান দিচ্ছেন বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিন ম্যাচ খেলে তুলে নিয়েছেন ৮টি উইকেট। বাংলাদেশিদের মধ্যে পিএসএলে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে এখন তার নামও উঠে এসেছে। সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ কিংবা মোস্তাফিজুর রহমানের মতো অভিজ্ঞদের পাশে এবার তরুণ রিশাদ হোসেন। তবে এই রেকর্ড গড়তে রিশাদ সময় নিয়েছেন মাত্র ৩ ইনিংস, যেখানে সাকিবের লেগেছিল ১৪ ইনিংস, মাহমুদউল্লাহর লেগেছিল ৮ ইনিংস এবং মোস্তাফিজ নিয়েছিলেন ৫ ইনিংস।এমন পরিসংখ্যানকে সামনে রেখে মাঠে নামতে চলেছে রিশাদের লাহোর কালান্দার্স। বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে মাঠে নামবে রিশাদের লাহোর কালান্দার্স।
পিএসএলে রিশাদের যাত্রাটা যেন শুরুই হয়েছিল স্বপ্নের মতো। অভিষেক ম্যাচেই ৩১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন এই লেগ স্পিনার। দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি হয়ে ওঠেন আরও কার্যকর। এবারে ২৬ রান খরচে তুলে নেন আরও ৩ উইকেট। টানা দুই ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে শীর্ষ উইকেটশিকারিদের কাতারে উঠে আসেন, হয়ে ওঠেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তখনই বোঝা যায়, এবারের পিএসএলে রিশাদ বড় কিছু করে দেখাতে এসেছেন।
তবে তৃতীয় ম্যাচটা ঠিক আগের দুটির মতো হয়নি। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলতে নেমে মুলতান সুলতানসের ব্যাটারদের দাপটে একটু খরুচেই হয়ে যান তিনি। ৪ ওভার বল করে ৪৫ রান দিয়ে তুলে নিতে পারেন ২টি উইকেট। যদিও বল হাতে উইকেটের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন, কিন্তু ইকোনমির দিক থেকে একটু পিছিয়ে পড়েন এই ম্যাচে। ব্যাট হাতেও ৬ নম্বরে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৪ বল খেলে করেন মাত্র ২ রান।গেল ম্যাচে লাহোরের বিপক্ষে ২২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় মুলতান সুলতানস। জবাবে লাহোর থেমে যায় ১৯৫ রানে। রিশাদের দল হার মানে ৩৩ রানে।
তিন ম্যাচ শেষে রিশাদ এখন ৮ উইকেট নিয়ে উইকেটশিকারিদের তালিকায় ৪ নম্বরে। তার ওপরে আছেন ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের জেসন হোল্ডার ৪ ম্যাচে জার সংগ্রহ ১১ উইকেট, হাসান আলী ৫ ম্যাচে তুলে নেন ১০ উইকেট এবং শাদাব খানের রিশাদের সমান ৮ উইকেট শিকার। যদিও উইকেট সংখ্যা সমান হলেও ইকোনমি রেটের দিক থেকে পিছিয়ে থাকায় শাদাব এগিয়ে আছেন রিশাদের চেয়ে।
পিএসএল এখনো অনেকটা বাকি। রিশাদ যদি এই ছন্দটা ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এই টুর্নামেন্ট হয়ে উঠতে পারে এক নতুন দিনের সূচনা। কারণ স্পিন আক্রমণে এমন বৈচিত্র্য এবং ধারাবাহিকতা দীর্ঘদিন ধরেই ছিল বাংলাদেশের বড় ঘাটতি। সেই শূন্যস্থান যেন রিশাদ ধীরে ধীরে পূরণ করতে শুরু করেছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au