বিশ্ব

ইসরায়েলের আকাশপথ অচল করে দেওয়ার হুমকি হুথিদের

  • 5:57 am - May 06, 2025
  • পঠিত হয়েছে:১৮৬ বার

মেলবোর্ন, ৬ মে- গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের জবাবে দেশটির আকাশপথ অচল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারা। তারা বলছে, ইসরায়েলের বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে বারবার হামলা চালিয়ে সেগুলো পুরোপুরি অবরোধ করা হবে।

সোমবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরান-সমর্থিত হুথিরা দাবি করেছে, রবিবার তারা একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের খোলা জায়গায় আঘাত হানে। তারা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে তারা এসব হামলা চালাচ্ছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

ইয়েমেন থেকে ছোড়া বেশিরভাগ হামলাই ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত হয়েছে। যদিও গত বছর একটি ড্রোন হামলা তেল আবিবে আঘাত হানে। তবে রবিবারের ক্ষেপণাস্ত্র ছিল মার্চ মাস থেকে ছোড়া ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একমাত্র যেটি প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি।

২০২৩ সালে বাণিজ্যিক শিপিং সংস্থাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার জন্য ‘মানবিক কার্যক্রম সমন্বয় কেন্দ্র’ নামের একটি সংস্থা গঠন করে হুথিরা।

সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ব্যস্ততম বিমানবন্দর বেন গুরিয়নকে হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। এই বিবৃতির সঙ্গে একটি ইমেইল সংযুক্ত ছিল। এটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস সংস্থাতে পাঠানো হয়েছে।

ইমেইলে বলা হয়, “আমরা সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসকে অনুরোধ করছি এই ঘোষণা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে এবং অপরাধী ইসরায়েলি শত্রুর বিমানবন্দরগুলোতে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করতে, যাতে যাত্রী ও উড়োজাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।”

ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজা উপত্যকায় আরও বড় সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা, যার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পুরো গাজা দখলে নেওয়া হবে সেটি অনুমোদন করেছে। এরপরই হুথিদের পক্ষ থেকে নতুন হুমকি এলো।

মার্চে আগের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর, ইসরায়েলি সেনারা গাজায় বড় বড় নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করছে। ফলে ২৩ লাখ মানুষ ক্রমশ কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও উপকূল বরাবর ছোট একটি এলাকায় ঠাসা হয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি সাহায্যের ট্রাকগুলোর প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সাহায্য সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, এই অবরোধের কারণে গাজায় একটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

গত ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ হামাসের হামলায় ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই ছিল বেসামরিক নাগরিক। ওই হামলায় ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপর থেকে ইসরায়েল গাজায় যে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তাতে গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এখন পর্যন্ত ৫২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইতোমধ্যে গোটা উপত্যকা প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

উৎসবের মঞ্চে ঐতিহ্য ও মানবিকতার মেলবন্ধন, ‘মহাশক্তি সম্মান’-এ স্বীকৃতি ২৫ দুর্গাপুজোর

দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক অবদান ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে স্বীকৃতি দিতে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ২৫টি দুর্গাপুজো কমিটিকে ‘মহাশক্তি সম্মান’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ‘উই আর দ্য কমন…

পারিবারিক বন্ধুর হামলায় পা হারালেন অস্ট্রেলিয়ার নারী এমপি, সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে

অস্ট্রেলিয়ায় স্বতন্ত্র নারী সংসদ সদস্য হেলেন হেইন্সকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নতুন করে রহস্য তৈরি হয়েছে হামলাকারীর পরিচয় ঘিরে। ৬৫ বছর বয়সী এই এমপির ওপর…

ইরানে ফের হামলার ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর, ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা

ইরানে আবারও হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তিনি ইরানের সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ…

যুদ্ধ এড়াতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল পাকিস্তান ও কাতার

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতার। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুই দেশের কাছে…

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: আমার মাইয়ার লাশ আইনা দাও, আমি ওরে দেহুম

‘আমি কেমনে বাঁচুম রে, আমার সুইটিরে আইনা দ্যাও রে। আমার মাইয়ার লাশ আইনা দাও, আমি ওরে দেহুম।’ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মেয়ে সুইটি আক্তারের…

ধামরাইয়ের ৫২০ কেজির অষ্টধাতুর দুর্গাপ্রতিমা, হবে না বিসর্জন

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: ঢাকার ধামরাইয়ের বণিকবাড়িতে ৫২০ কেজি ওজনের অষ্টধাতুর দুর্গাপ্রতিমার পূজা চলছে। আগামীকাল বুধবার পূজা শেষে এটি দেওয়া হবে না বিসর্জন। এটিই এখানকার রীতি।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au