কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩
মেলবোর্ন, ১০ জুন- পাবনায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরে ওই কিশোরীর মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার জেরে উত্তেজিত…
‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ ছাড়াই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় ভারত উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। একই সঙ্গে দ্রুত বাংলাদেশে ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নির্বাচনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার জয়সোয়াল বলেন, “যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা উদ্বেগজনক ঘটনা। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত স্বাভাবিকভাবেই গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা কমা ও রাজনৈতিক পরিসরের সংকোচনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন। আমরা দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাচ্ছি।”
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, জয়সোয়ালের মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন ভারত মঙ্গলবারে পাকিস্তান সমর্থিত সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে সফলভাবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।
শনিবার উপদেষ্টা পরিষদের এক জরুরি বৈঠক শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত জানায় সরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়ার কথাও জানানো হয়। এই সংশোধনী অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।
এর দুই দিন পরে সোমবার সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।
একই দিনে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
এর আগে গত নভেম্বরে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল সরকার।
সম্প্রতি সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ বিদেশে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়াদের একটি অংশের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল- জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এরপর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে থেকে শাহবাগ পর্যন্ত এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের পর উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় জুলাই অগাস্টের হত্যাকাণ্ডের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। দলটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au