কুঠার দিয়ে হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত তিনজনকে হাসপাতালে
অস্ট্রেলিয়ার গিপসল্যান্ডের টাইয়ার্স শহরে একটি বাড়িতে কুঠার দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক বৃদ্ধসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষকে জীবন সংকটাপন্ন অবস্থায়…
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ডলারের মান প্রায় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ১৯৭৩ সালে স্বর্ণমান (গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড) পরিত্যাগের পর থেকে সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি, ঋণ ও মূল্যস্ফীতির চাপে বিনিয়োগকারীদের আস্থা হ্রাস পাওয়ায় এই পতন ঘটেছে।
বছরের শুরুতে ডলার শক্তিশালী থাকলেও এপ্রিলের শুরুর দিকে ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণার পর থেকে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এর ফলে শেয়ারবাজার, বন্ড এবং ডলারের মান একযোগে হ্রাস পেতে শুরু করে। শুল্ক আরোপের কারণে বিদেশি বিনিয়োগও কমেছে, যা মার্কিন অর্থনীতির ওপর আস্থাকে আরও দুর্বল করেছে।
বিশ্ববাজারে ডলারের এই পতনের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, যদিও রপ্তানিতে সাময়িক সুবিধা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিনিয়োগকারীরা এখন ডলারের বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে পেনশন ও ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আগ্রহ বাড়িয়েছে।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গবেষণা প্রধান স্টিভ ইংল্যান্ডার বলেন, ডলার দুর্বল না শক্তিশালী— সেটিই আসল বিষয় নয়, বরং বিশ্ব এটি কীভাবে দেখছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ডলারের এই পতন শুধু যুক্তরাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ না থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক লেনদেনও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে ডলারের প্রতি আস্থা টিকিয়ে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au