পেলেটে ঝাঁঝরা মুখ, তবু অনুশোচনা নেই: হাসপাতাল থেকেই যন্তর মন্তরে ফেরার ঘোষণা
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনায় আহত হয়েও আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন ২৫ বছর…
ঢাকা, ৮ জুলাই-
রাজধানীর মিরপুরের পশ্চিম মণিপুরে রবিবার রাত ১০টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের ১০–১৫ জনের একটি দল সিরাজুল ইসলাম (৫৬) নামে এক ব্যক্তির বাসায় ঢুকে পড়ে। সিরাজুল একসময় শ্রমিক লীগের রাজনীতি করতেন। ঢুকেই তাঁরা বলেন, ‘তুই আওয়ামী লীগ করিস, বাঁচতে হলে ২০ লাখ টাকা দে।’ দীর্ঘ রাতজুড়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে, মারধরের হুমকি দিয়ে রাত তিনটার দিকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে বের হয় তারা।
ঘটনার সময় খবর পেয়ে মিরপুর থানা-পুলিশ ও র্যাব ঘটনাস্থলে যায়। ধাওয়া করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের মধ্যে আছেন মিরপুর থানা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান ওরফে মিন্টু (৩৫), যুগ্ম আহ্বায়ক তাবিত আহমেদ আনোয়ার ওরফে তাবিত (৩৫), যুবদলকর্মী রতন মিয়া (৩৪) ও ছাত্রদলকর্মী ইসমাইল হোসেন (২৪)। তাঁদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির ১৬ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা ইসলাম সোমবার সকালে বাদী হয়ে গ্রেপ্তার চারজনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮–১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেন। মামলার বিবরণে বলা হয়, আসামিরা প্রথমে সিরাজুল ও তাঁর স্ত্রীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। প্রাণের ভয়ে তাঁরা ২০ হাজার টাকা হাতে তুলে দেন। পরে তিনতলার এক বাসিন্দার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ধার নেন, মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ৩০ হাজার টাকা দেন এবং সন্তানদের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা এনে দেন।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ রোমন জানান, রাতে খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায় এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখনো পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শুধু আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অভিযোগে রাতভর ভয়, আতঙ্ক ও লুটপাটের মধ্য দিয়ে কাটাতে হয়েছে তাঁদের। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au