জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি এএফডির ঐতিহাসিক জয়
জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পেয়েছে কট্টর ডানপন্থি দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)। রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে দলটি প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট- অস্ট্রেলিয়াজুড়ে আরএসভি (রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাস) সংক্রমণ বাড়তে থাকায়, ঝুঁকিপূর্ণ হাজারো নাগরিকের জন্য ৩০০ ডলার মূল্যের এই টিকাটি বিনামূল্যে দেওয়ার দাবি উঠেছে। দেশটির একটি শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য সংস্থা এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপ দিচ্ছে।
চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ায় এখন পর্যন্ত আরএসভি’র প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মেটার সংক্রামক রোগ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক পল গ্রিফিন জানান, এই ভাইরাসের কারণে অনেক বয়স্ক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের মধ্যে অনেকে মারা যাচ্ছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে আছেন অ্যান ফিডলার, যিনি তার নাতনির কাছ থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তিনি জানান, তার মাথাব্যথা, বুকে সাঁ সাঁ শব্দ, ও নাক দিয়ে পানি পড়া– এসব উপসর্গ দেখা দেয়। তার আগে থেকেই ফুসফুসের সমস্যা থাকায় শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে থাকে এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়। ফিডলার বলেন, “শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করাই ছিল সবচেয়ে কষ্টকর। তখনই বুঝলাম, কিছু একটা ঠিক নেই।”
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় গর্ভবতী নারীদের জন্য আরএসভি’র টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তাদের নবজাতকেরা সুরক্ষা পায়। যদি মা টিকা না নেন, তবে শিশুর জন্য আলাদা এক ধরনের ইমিউন সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য সবার জন্য এই টিকার দাম প্রায় ৩০০ ডলার।
অধ্যাপক গ্রিফিন বলেন, “এই টিকা অসাধারণ কার্যকর, বিশেষ করে বয়স্ক এবং ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য। অনেকেই চাইছেন এটি সরকারিভাবে অর্থায়ন করা হোক।”
লাং ফাউন্ডেশন-এর সদস্যরাও এখন নিজের খরচে টিকা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্রুক বলেন, “যাদের জন্য এই টিকাটি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত, তাদের জন্য এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী অস্ট্রেলীয়দের জন্য তিনটি আরএসভি টিকা অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু এগুলো সরকারি ফ্রি টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে তা Pharmaceutical Benefits Advisory Committee (PBAC)-এর অনুমোদন পেতে হয়।
এই কমিটি ফাইজারের তৈরি টিকাটি ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়সী এবং যোগ্য আদিবাসী ও টরেস স্ট্রেইট দ্বীপপুঞ্জের বয়স্কদের জন্য সরকারি অর্থায়নের সুপারিশ করলেও, এখনো সেটি চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হয়নি– মূলত খরচ-সাশ্রয়ী দিক থেকে উদ্বেগের কারণে। তবে ফাইজার জানিয়েছে, তারা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
অন্যদিকে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (GSK) এবং মডার্না (Moderna) জানিয়েছে, তারাও সরকারি অর্থায়নের জন্য আবেদন করেছে।
এই প্রক্রিয়া চলাকালীন ঝুঁকিপূর্ণ নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। লাং ফাউন্ডেশনের ব্রুক বলেন, “মাস্ক পরা, অসুস্থ আত্মীয়দের থেকে দূরে থাকা– এ ধরনের ছোট ছোট পদক্ষেপ আপনাকে নিরাপদ রাখতে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে।”
সুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au