‘ইরান তেল বিক্রি করতে না পারলে কেউ পারবে না’
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সামরিক হুমকির জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন,…
মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ বাতিল করেছে। এখন থেকে কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলেও তিনি সরাসরি বিজয়ী ঘোষিত হবেন না, বরং তাকে ‘না’ ভোটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যদি ‘না’ ভোট বেশি হয়, তাহলে পুনঃনির্বাচন হবে। তবে দ্বিতীয়বারও যদি একক প্রার্থী থাকেন, তখন তাকে বিনা ভোটেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নবম কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো জনগণের সমর্থন নিশ্চিত করা এবং সুযোগের অপব্যবহার বন্ধ করা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) সংশোধন চূড়ান্ত করেছে ইসি। সংশোধনীতে ‘না’ ভোটের বিধান, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ বাতিল, প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা, পুরো আসনের নির্বাচন বা ফলাফল বাতিলের ক্ষমতা পুনর্বহালসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ইভিএম ব্যবহারের সব বিধান বাতিল করা হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে কমিশন শুধু এক বা একাধিক কেন্দ্র নয়, পুরো আসনের ভোট স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, বড় দলের প্রতীকে ছোট দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সরাসরি শাস্তির বিধান যোগ করা হয়েছে এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে অনিয়ম হলে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে, যা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিতেও যুক্ত হবে।
গণমাধ্যমকর্মী ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকরা ভোট গণনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারবেন, মাঝপথে বের হওয়া যাবে না। সমান ভোট পেলে লটারির পরিবর্তে পুনঃনির্বাচন হবে। রাজনৈতিক দলের অনুদান সীমা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এবং দাতার ট্যাক্স রিটার্নে প্রদর্শিত হতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপপ্রচার, মিথ্যাচার বা অপবাদ ছড়ালে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান কিংবা গণমাধ্যম—সবাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন নাকচ হলে ইসি অবশ্যই স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করে জানাবে, যা আদালতে উপস্থাপনযোগ্য হবে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য নতুন দলের সময়সীমা হবে ৩০ দিন।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, এসব পরিবর্তন কোনো রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নয়, বরং সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার ভিত্তিতে আনা হয়েছে।
সুত্রঃ বাসস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au