চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট- অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস (NSW) রাজ্যে কয়েকদিন ধরে চলছে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত। রাজধানী সিডনি এরই মধ্যে এ বছরের গড় বর্ষণ ছাড়িয়ে গেছে, আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকতেই এটি গত ২৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভিজে আগস্ট হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বন্যা, সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচলের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। পূর্ব উপকূলজুড়ে এ প্রভাব পড়বে। যদিও সবচেয়ে ভয়াবহ বৃষ্টিপাত হয়তো পেরিয়ে গেছে, তবে শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টি থাকবে, আর শনিবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে।
নিউ সাউথ ওয়েলস স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিস (SES) জানায়, এখন পর্যন্ত ৪০০টিরও বেশি ঘটনায় সাড়া দিতে হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছয়টি বন্যা উদ্ধার অভিযান। সহকারী কমিশনার কলিন ম্যালোন সতর্ক করে বলেন, রাস্তায় প্রচুর পানি জমে আছে, যা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই তিনি মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “কখনোই বন্যার পানিতে গাড়ি চালাবেন না, হাঁটবেন না, খেলবেন না। বিকল্প পথ বেছে নিন।”
বর্তমানে উলংগং থেকে শুরু করে কুইন্সল্যান্ডের গুন্ডিওয়িন্দি পর্যন্ত ৩৩টি সতর্কবার্তা জারি রয়েছে। এর মধ্যে ক্যালালা ও গুনেদাহ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা বিচ্ছিন্ন থাকার জন্য প্রস্তুত থাকেন।
আজকের মধ্যে উত্তর ও মধ্য উপকূল, উত্তরাঞ্চলীয় পাহাড়ি অঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমের ঢালু এলাকা ও সমতলভূমিতে ৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। কিছু জায়গায় তা ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
আজ সকালে সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমে ডগলাস পার্ক এলাকায় একটি গাড়িতে আটকা পড়ে থাকা এক ব্যক্তি ও তার কুকুরকে উদ্ধার করেছে SES। তারা প্লাবিত একটি সেতু পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দড়ির সাহায্যে একটি নাটকীয় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের নিরাপদে আনা হয়। একই এলাকায় আরও একজনকে গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া গত রাত সেন্ট অ্যালবানস এলাকায় তিনজনকে এবং আজ আলবিয়ন পার্ক, আওরিম্বাহ ও হকস নেস্ট এলাকায় একাধিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণ হলো গড়ের চেয়ে বেশি উষ্ণ সাগরের তাপমাত্রা এবং তাসমান সাগরে অবস্থানরত উচ্চচাপের বায়ুমণ্ডল, যা বিপুল আর্দ্রতা টেনে আনছে। এর সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থানরত ঠান্ডা বায়ু ও উপকূলীয় বায়ুর সংঘর্ষে বজ্রঝড় এবং ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বাড়ছে।
সুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au