ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের উপস্থিতি কেন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।…
মেলবোর্ন, ২৯ আগষ্ট- শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ ১৬ জনকে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় আদালতে তোলার কার্যক্রম শুরু হয়।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) থেকে আটক হওয়া এই ১৬ জনকে সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ডিআরইউতে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানবিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক কার্জনসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানোর সিদ্ধান্ত জানায় ডিএমপির নবনিযুক্ত প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক ওই আলোচনার আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল ড. কামাল হোসেনের। তবে তিনি দেরিতে আসায় সভা শুরু হয় কিছুটা বিলম্বে। এতে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, সাংবাদিক মাহবুব কামাল, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক কার্জনসহ অনেকে।
বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠান শুরু হলে বক্তব্য দেন অধ্যাপক কার্জন। তিনি বলেন, একটি শক্তি মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের চেতনার বিপরীতে অবস্থান নিয়ে সংবিধান ধ্বংসের চেষ্টা করছে। তাঁদের পেছনে জামায়াত-শিবির ও বিভ্রান্ত বামপন্থী তাত্ত্বিকরা যুক্ত আছে।
কার্জনের বক্তব্য শেষে নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক সভাস্থলে ঢুকে পড়েন। তাঁরা স্লোগান দেন—‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’। এ সময় কিছু যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে মঞ্চে ওঠেন, দরজা বন্ধ করে আয়োজকদের সঙ্গে হাতাহাতি করেন। এতে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী লাঞ্ছিত হন।
হট্টগোলকারীরা ব্যানার ছিঁড়ে লতিফ সিদ্দিকীর দিকে ধেয়ে গিয়ে কটূক্তি করেন। তাঁরা অভিযোগ তোলেন যে তিনি হজ নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। পরে তাঁরা লতিফ সিদ্দিকী ও অধ্যাপক কার্জনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুজনসহ অন্তত ১৬ জনকে আটক করে করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au