বরেণ্য চিত্রশিল্পী আতিয়া ইসলাম আর নেই, শিল্পাঙ্গনে শোক
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী আতিয়া ইসলাম আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভোগার পর বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন…
মেলবোর্ন, ২ সেপ্টেম্বর- আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার পরিবারের জন্য তাঁবু পাঠিয়েছে ভারত। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক্সে দেওয়া পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর জানান, এ বিষয়ে তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
ভারতের কাবুল মিশন ক্ষতিগ্রস্ত কুনার প্রদেশে ১৫ টন খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতেও কাজ করছে। জয়শঙ্কর আরও জানান, শিগগিরই ভারত অতিরিক্ত ত্রাণ পাঠাবে। তিনি বলেন, আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এই কঠিন সময়ে আফগানিস্তানের পাশে রয়েছে ভারত।
দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৮০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন অন্তত ২ হাজার ৮০০ জন। রোববার মধ্যরাতে আঘাত হানা রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় কুনার ও নাঙ্গারহার প্রদেশ। শুধু কুনারেই নিহত হয়েছেন ৬১০ জন। তিনটি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ভূমিধসের কারণে উদ্ধারকাজে বড় বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আফগান সামরিক বাহিনী জানায়, বিমানযোগে ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৪০টি উড়োজাহাজে করে ৪২০ জন আহত ও মৃতদেহ সরানো হয়েছে। স্থানীয় মানুষও হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারে অংশ নিচ্ছেন।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা কার্যালয় (UNOCHA) জানিয়েছে, অনেক রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। কাবুলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি আন্তর্জাতিক সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছে।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় তালেবান সরকার বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানালেও এখনো কোনো বিদেশি সরকার সরাসরি ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেনি। এ পর্যন্ত শুধু ভারত ১ হাজার পরিবারের জন্য তাঁবু ও খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছে। চীনও প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশন ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। পোপ ফ্রান্সিস নিহতদের জন্য শোক জানিয়েছেন।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর বিদেশি সাহায্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। নারী অধিকার সংকোচন ও নারী ত্রাণকর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে দাতারা অর্থ সহায়তা হ্রাস করেছে। ২০২২ সালে দেশটি ৩৮০ কোটি ডলারের সহায়তা পেলেও এই বছর তা কমে মাত্র ৭৬৭ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অর্ধেকের বেশি মানুষ এখন জরুরি মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার মধ্যে রয়েছে। ভূমিকম্পপ্রবণ হিন্দুকুশ অঞ্চলে অবস্থিত দেশটিতে এর আগেও বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটেছে। ২০২২ সালে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত এক হাজার মানুষ প্রাণ হারান।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au