তালা ভেঙে আ. লীগ নেতার বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকারসহ মালামাল চুরি
মেলবোর্ন, ২ জুলাই- নাটোর শহরের কানাইখালি মহল্লায় আওয়ামী লীগের নাটোর জেলা সভাপতি সিরাজুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ থাকা বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা বাড়ির একাধিক…
মেলবোর্ন ৩ সেপ্টেম্বর– ইতালির ভেনিসে চলছে ৮২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এবারের আসরে সবচেয়ে আলোচিত ছবির একটি হলো তিউনিসিয়ান পরিচালক কাউথার বেন হানিয়ার নির্মিত ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব (হিন্দ রজবের কণ্ঠস্বর)’। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত পাঁচ বছরের এক শিশুকে ঘিরে নির্মিত এই সিনেমা দর্শক ও সমালোচকদের মাঝে গভীর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট ও হোয়াকিন ফিনিক্স।
শনিবার উৎসবস্থলের বাইরে হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে ইসরায়েলের গাজায় গণহত্যামূলক হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। তারা একসঙ্গে স্লোগান তোলেন— “গণহত্যা বন্ধ করুন”। এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত দুই হাজার মানুষ আয়োজকদের উদ্দেশে খোলা চিঠিতে ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। যদিও আয়োজকরা সরাসরি সে আহ্বানে সাড়া দেননি, তবে ছবিটি প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন।
বাস্তব ঘটনার ওপর ভিত্তি করে সিনেমা
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পরিবারের ছয় সদস্যকে হারিয়ে বেঁচে যায় ছোট্ট হিন্দ রজব। ধ্বংসস্তূপে আটকে গিয়ে একটি মোবাইল ফোন থেকে বারবার সাহায্যের জন্য ফোন করে সে। রেড ক্রিসেন্ট কর্মীরা তার ভয়াবহ কল রেকর্ড করেন, যেখানে শেষবার রজব বলে, “আমি অনেক ভয় পাচ্ছি, দয়া করে আপনারা আসুন।”
অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হলেও উদ্ধারকর্মীরাও নিহত হন। ১২ দিন পর হিন্দ রজব ও তার পরিবারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব সিনেমার পোষ্টার। ছবি: সংগৃহীত
বেন হানিয়া ছবিতে রজবের ফোন রেকর্ডের বাস্তব শব্দ ব্যবহার করেছেন। তবে ঘটনাটি তিনি দেখিয়েছেন রেড ক্রিসেন্টের এক কাল্পনিক কর্মীর দৃষ্টিকোণ থেকে। তার ভাষায়, “কখনো কখনো চোখে দেখা যায় না এমন বিষয়ই সবচেয়ে ভয়ংকর।”
ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক আলবের্তো বারবেরা বলেন, ছবিটি এবারের আসরে দর্শক ও সমালোচকদের ওপর সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উৎসবের শীর্ষ পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার হতে যাচ্ছে এই নির্মাণ।
হিন্দ রজবের মা ও আত্মীয়রা আশা করছেন, সিনেমাটি গাজার গণহত্যা থামাতে ভূমিকা রাখবে। তার ভাষায়, “গোটা বিশ্ব আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আমরা ক্ষুধার্ত, আতঙ্কগ্রস্ত ও গৃহহীন—কেউ কিছুই করছে না।”
ঘটনা নিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শুধু জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো “যাচাই-বাছাই” করা হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত শুরু হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au