ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর দাপট, আলোচনায় ‘সিনার্স’ও
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: লস অ্যাঞ্জেলসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার ২০২৬। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে “One Battle After Another”,…
মেলবোর্ন, ১৭ সেপ্টেম্বর- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন-২০১৯ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি বৈধ প্রক্রিয়ায় হয়নি বলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার ভর্তি সাময়িকভাবে বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। ফলে বৈধ ছাত্রত্ব না থাকায় ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে তার প্রার্থিতাও অবৈধ ছিল বলে তদন্ত কমিটি জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমদ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। বিষয়টি এখন একাডেমিক কাউন্সিলে পাঠানো হয়েছে। কাউন্সিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে গোলাম রাব্বানীর ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং জিএস পদে নির্বাচিত হওয়া দুটিই অবৈধ বলে ঘোষণা করা হবে।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ডাকসু নির্বাচনে অবৈধ উপায়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ওই নির্বাচনের জিএস প্রার্থী রাশেদ খাঁন এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. সানাউল্লাহ হক লিখিত অভিযোগ দেন। তারা দাবি করেন, অবৈধভাবে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের পদ বাতিল করা হোক এবং ভুক্তভোগী প্রার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ডাকসু নির্বাচন চলাকালে নানা ধরনের অনিয়ম সংঘটিত হয়েছিল। ভোটকেন্দ্র দখল, কৃত্রিম লাইন তৈরি, ব্যালট পেপারে জাল সিল মারা, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোটে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন—এসবের পাশাপাশি কিছু প্রার্থী অবৈধভাবে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এর মধ্যে ক্রিমিনোলজি বিভাগের গোলাম রাব্বানী, মেহজাবিন হক ও ফাহমিদা তাসনিম অনির নাম উল্লেখ করে বলা হয়, তারা বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জালিয়াতির মাধ্যমে এমফিলে ভর্তি হয়েছেন। ফলে আইনগতভাবে তাদের ভর্তি বাতিল গণ্য হবে। আর সে কারণে রাব্বানীর প্রার্থিতাও বৈধ নয় এবং জিএস পদটি অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করা হয়েছে।
সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায়ও একই সুপারিশ গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে বলে গোলাম রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তি সাময়িকভাবে বাতিল করা হলো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে হবে এবং বিষয়টি আইন উপদেষ্টার কাছে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, “আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। তারা আমার অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। গোলাম রাব্বানী শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, বরং প্রশাসন ফলাফল ছিনতাই করে তাকে জিএস ঘোষণা করেছিল। দীর্ঘ সময় পরে হলেও ন্যায়বিচার পাওয়া শুরু হয়েছে। এটাই আমার তৃপ্তি।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে, গোলাম রাব্বানীর ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক পদ বৈধ ছিল কিনা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au