আইসিসি থেকে বিশাল সুখবর পেল বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে উঠে এসেছে…
মেলবোর্ন, ২২ সেপ্টেম্বর– গত চার বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় তিনটি দেশে সরকার পতনের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নেপালের। ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি, বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক অসন্তোষের কারণে নেপালে ‘জেন-জি’ বিক্ষোভের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো নেপালও শ্লথ অর্থনীতি এবং তরুণদের জন্য সীমিত কর্মসংস্থান সুযোগের কারণে রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে নেপালে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা দেশটিকে অতিমাত্রায় প্রবাসী আয় ও বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী দ্য ডিপ্লোম্যাট এই পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করে বলেছে, এসব সংকটের পেছনে বাইরের প্রভাবও রয়েছে। নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এই অঞ্চলের জটিল ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের একটি বহিঃপ্রকাশ। পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এর প্রভাব পড়বেই।
নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও চীন এই পরিস্থিতিতে তুলনামূলকভাবে নীরব। গত দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের অর্থায়ন ও উন্নয়ন প্রকল্প বেড়েছে, কিন্তু এসব দেশের সংকট মোকাবেলায় বেইজিং-এর সক্রিয় হস্তক্ষেপ খুব কম দেখা গেছে। নেপালের সর্বশেষ সরকারবিরোধী আন্দোলনকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান ‘বিক্ষোভ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, দেশটিতে শিগগিরই সামাজিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কার্কি নিযুক্ত হওয়ায় চীন জানিয়েছে, “চীন বরাবরই নেপালের জনগণের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানায়।”
দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, চীনের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।
১. চীনের সরকারি বক্তব্য অনুযায়ী, তারা অন্য দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে না।
২. যদিও চীনের দূতাবাসগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব দেশের লক্ষ্য অর্জনে সিসিপির অভিজ্ঞতা ও চীনের আধুনিকায়ন পদ্ধতি প্রয়োগের চেষ্টা করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চীন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতেও চেষ্টা করেছে।
সুতরাং, দক্ষিণ এশিয়ার সরকারের পতনের ঘটনা শুধু স্থানীয় রাজনীতিতেই প্রভাব ফেলছে না, বরং এই অঞ্চলের কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও নতুন চ্যালেঞ্জ ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি উদ্ভূত করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au