সর্বশেষ

প্রথম ভাষণেই জাতিসংঘের কঠোর সমালোচনা করলেন ট্রাম্প

  • 5:38 am - September 24, 2025
  • পঠিত হয়েছে:১২২ বার
প্রথম ভাষণেই জাতিসংঘের তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিঃ রয়টার্স

মেলবোর্ন, ২৪ সেপ্টেম্বর- দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রথম ভাষণেই সংস্থাটিকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে দেওয়া প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি জাতিসংঘকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ, অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার প্রচেষ্টাকে ‘প্রতারণা’ হিসেবে অভিহিত করেন।

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রবেশের সময় ট্রাম্প ও স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প চলন্ত সিঁড়ির ত্রুটি এবং ভাঙা টেলিপ্রম্পটার নিয়ে সমস্যায় পড়েন। ভাষণে তিনি সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে জাতিসংঘের দুর্বলতার তুলনা করে বলেন, “জাতিসংঘের অবস্থা এখন বন্ধ হওয়া এসকেলেটর বা ভাঙা টেলিপ্রম্পটারের মতোই।”

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, অভিবাসীদের নানা সুবিধা দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর কার্যত “আক্রমণ” চালাচ্ছে জাতিসংঘ। তার দাবি, এভাবে দেশগুলো ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। ইউরোপকে সতর্ক করে তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে সঠিক থাকার ঝুঁকি নিতে গিয়ে তারা বিপদ ডেকে আনছে। এমনকি লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধেও তিনি আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন।

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ট্রাম্প বলেন, এটি “বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতারণা।” তার মতে, জাতিসংঘ কেবল শক্ত ভাষায় চিঠি পাঠায়, কিন্তু তা দিয়ে যুদ্ধ থামানো যায় না।

নিজের নির্ধারিত ১৫ মিনিট ছাড়িয়ে ৫৬ মিনিট ধরে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, অন্তত সাতটি যুদ্ধ তিনি বন্ধ করেছেন। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গাজা সংঘাতের সমাধান আনতে ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে তিনি “সবচেয়ে সহজে সমাধানযোগ্য” বলে উল্লেখ করেন।

গাজা যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ থামাতেই হবে এবং জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের সিদ্ধান্তকে তিনি “হামাসের নৃশংসতার পুরস্কার” বলে আখ্যা দেন।

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ না করায় ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করলেও ট্রাম্প তুলনামূলক নরম ভাষায় রাশিয়া প্রসঙ্গ তোলেন। একইসঙ্গে তিনি অনির্ধারিত কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত দেন।

ভাষণের শেষ দিকে ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের সীমান্ত এবং প্রচলিত জ্বালানির উৎস শক্তিশালী করতে হবে, যদি আবার মহান হতে চান।”

সুত্রঃ রয়টার্স ও বিবিসি

এই শাখার আরও খবর

জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভে সহিংসতা, দোকানপাটে লুটপাট ও পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমানো, সামাজিক সেবার সংকোচন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার প্রতিবাদে জার্মানির বড় শহরগুলোতে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার তরুণ।…

মক্কা চুক্তিতে যোগ দিচ্ছে ইরান?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু…

এআইচালিত সাইবার হামলায় অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সেবা অচল হওয়ার আশঙ্কা

ওটিএন বাংলা: সংস্থাটির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বার্ষিক সাইবার হুমকি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি সাইবার নিরাপত্তার পরিবেশ বদলে দিচ্ছে। রাষ্ট্রসমর্থিত হ্যাকার ও…

ফ্রান্স ও জার্মানিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, প্যারিসে পেট্রলবোমায় পুলিশ সদস্য দগ্ধ

ওটিএন বাংলা: জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বৈষম্য এবং শিক্ষা ও জনসেবার অবনতির প্রতিবাদে ফ্রান্স ও জার্মানিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার কয়েকটি শহরে পুলিশের সঙ্গে…

ধানক্ষেতের পাশের গর্তে নারী-পুরুষের অর্ধগলিত লাশ

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ধানক্ষেতের পাশের একটি শ্যালো মেশিন ঘরের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার…

আতঙ্কে রাতে আত্মীয়দের বাড়িতে থাকছেন মানিক পশারীর মেয়ে ও বোন

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সরাসরি কারও কাছ থেকে হুমকি না পেলেও…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au